শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ইরানে হামলা নিয়ে ইসরায়েলের চাপে রাজি হননি বুশ-ওবামা-বাইডেন, রাজি হলেন শুধুই ‘ট্রাম্প’- জন কেরি ক্যান্সার ধরা পড়ার পর যা করেছিলেন নায়ক আলমগীর সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সাকিবকে লম্বা সময়ের জন্যই চাই: প্রধান নির্বাচক বাশার ইরানের অর্থ ছাড়ে সম্মতির খবর ‘ভিত্তিহীন’: যুক্তরাষ্ট্র লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলার নিষ্পত্তি মার্চে সড়কে ঝরেছে ৫৩২ প্রাণ: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে বিএনপি জনগণের রক্তের কথা ভুলে গেছে: নাহিদ ইসলাম ভিজিটর ভিসার মেয়াদ নিয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের নতুন বার্তা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য দল ঘোষণা করল বিসিবি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকবে না রাজনৈতিক ব্যানার: রেল প্রতিমন্ত্রী

ইরানে হামলা নিয়ে ইসরায়েলের চাপে রাজি হননি বুশ-ওবামা-বাইডেন, রাজি হলেন শুধুই ‘ট্রাম্প’- জন কেরি

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ন

সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি দাবি করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিভিন্ন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক প্রশাসনের ওপর ইরানে সামরিক হামলা চালানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করেছিলেন। তবে সাবেক প্রেসিডেন্টরা এতে সম্মত হননি।

শুক্রবার ‘দ্য ব্রিফিং উইথ জেন পসাকি’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেরি বলেন, তিনি নিজে এমন একাধিক আলোচনায় অংশ নিয়েছেন, যেখানে নেতানিয়াহু সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলার আহ্বান জানান।

কেরির ভাষায়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে ইরানে হামলা চালাতে চেয়েছিলেন। তিনি জানান, এই প্রস্তাব সরাসরি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছেও উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি জো বাইডেন এবং জর্জ ডব্লিউ. বুশ—কেউই এতে সম্মতি দেননি।

তবে কেরির দাবি, একমাত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবে রাজি হয়েছিলেন।

তিনি আরও জানান, নেতানিয়াহু ইরানে হামলার পক্ষে একটি বিস্তারিত ‘চার দফা প্রস্তাব’ দিয়েছিলেন, যেখানে বলা হয়—এ ধরনের হামলা ইরানের নেতৃত্বকে দুর্বল করতে, সরকার পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করতে এবং সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে সহায়ক হতে পারে।

কেরি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে মতভেদ ছিল এবং আলোচনাগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান দেখা যায়।

অন্যদিকে, তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে একটি অভিযান চালায়, যেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।

এই হামলার জবাবে ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাশাপাশি তেহরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয়।

পরবর্তীতে পাকিস্তান, তুরস্ক, চীন, সৌদি আরব ও মিসরের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয় বলে জানানো হয়েছে।

৪০ দিনের সংঘাতের পর হওয়া এই সমঝোতার অংশ হিসেবে দুই দেশ স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসলামাবাদ-এ আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর