বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

হরমুজ প্রণালীর ওপর থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন নিখোঁজ

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সবচেয়ে দামি নজরদারি ড্রোন এমকিউ-৪সি ট্রাইটন হরমুজ প্রণালীর ওপর আকাশে উড়ার সময় হঠাৎ নিখোঁজ হয়েছে। আকাশে জরুরি সতর্কতা ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই এর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোনটি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর ওপর প্রায় তিন ঘণ্টার নজরদারি সম্পন্ন করে ইতালির নৌঘাঁটি নেভাল এয়ার স্টেশন সিগোনেল্লার দিকে ফিরে যাচ্ছিল। অনলাইন ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪—এর তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি হঠাৎ সামান্য ইরানের দিকে মোড় নেয় এবং কোড ৭৭০০ (সাধারণ জরুরি সংকেত) পাঠায়। এরপর এটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। পরে সম্পূর্ণভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়।

ড্রোনটি ভূপাতিত হয়েছে নাকি দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত হয়েছে—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি এমন এক সময় ঘটল যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই দিন আগে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে এবং ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু করতে রাজি হয়েছে বলে জানা গেছে।

এমকিউ-৪সি ট্রাইটন সম্পর্কে জানা যায়, এটি ২০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন নজরদারি ড্রোন। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড অঞ্চলে উপসাগরীয় এলাকায় মোতায়েন থাকে এবং দীর্ঘ সময় ধরে কৌশলগত নজরদারি পরিচালনা করতে সক্ষম।

প্রচলিত বিমানের তুলনায় ট্রাইটনকে বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে দীর্ঘসময় ধরে সমুদ্রপথ পর্যবেক্ষণের জন্য। এটি উচ্চ-উচ্চতায় দীর্ঘসময় (২৪ ঘণ্টার বেশি) উড়তে সক্ষম এবং ৫০ হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতায় কার্যক্রম চালাতে পারে। এর পরিসীমা প্রায় ৭ হাজার ৪০০ নটিক্যাল মাইল। এটি প্রায়শই পি-৮এ পোসাইডন টহল বিমানের ‘চোখ’ হিসেবে কাজ করে।

২০২৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কাছে ২০টি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ছিল এবং আরও সাতটি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, চলমান সংঘাতকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় সম্পর্কেও তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট -এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০ হাজার ৩০০ ডলার ব্যয় করছে।

প্রতিদিনের ব্যয়ের মধ্যে অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের খাতে প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ডলার, বিমান অভিযানে ২৪৫ মিলিয়ন ডলার, নৌ অভিযানে ১৫৫ মিলিয়ন ডলার, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ৯৫ মিলিয়ন ডলার, গোয়েন্দা ও সাইবার অপারেশনে ৪৫ মিলিয়ন ডলার এবং জনবল ও লজিস্টিকসে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।-সূত্র: এনডিটিভি


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর