বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ন

কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানে চলমান দুই দেশের আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে তেহরান। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরানের একটি সূত্র জানায়, জব্দ করা অর্থ মুক্ত করার সিদ্ধান্তটি সরাসরি হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত। ধারণা করা হচ্ছে, চলমান আলোচনায় এই বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র কত পরিমাণ অর্থ ছাড়তে রাজি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

তবে আরেকটি ইরানি সূত্রের দাবি, প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যা কাতারের ব্যাংকগুলোতে আটকে ছিল।

এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে প্রথম ইরানের এই অর্থ জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে অর্থ ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর ইরানের মিত্র ফিলিস্তিনের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রশাসন আবারও এই অর্থ জব্দ করে।

সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ইরান এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না এবং প্রয়োজনে পুরো অর্থ স্থায়ীভাবে জব্দ রাখার অধিকার ওয়াশিংটনের হাতে রয়েছে। এই অর্থের উৎস মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রির আয়। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রশাসন ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে ওই অর্থ আটকে যায়। একই সময়ে বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তিও বাতিল করা হয়।

পরে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তি হয়। ওই চুক্তির আওতায় পাঁচজন মার্কিন নাগরিককে ইরান থেকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আটক পাঁচজন ইরানিকেও মুক্তি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জব্দকৃত অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়। তবে তখন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অর্থ শুধুমাত্র মানবিক কাজে ব্যবহার করা যাবে। খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্য কেনার জন্য অনুমোদিত সরবরাহকারীদের মাধ্যমে এই অর্থ ব্যয় করা হবে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অর্থ ছাড়ার বিষয়ে সম্মতি দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো বাকি রয়েছে।-সূত্র: আল-জাজিরা


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর