বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

ইরানে হামলা নিয়ে ইসরায়েলের চাপে রাজি হননি বুশ-ওবামা-বাইডেন, রাজি হলেন শুধুই ‘ট্রাম্প’- জন কেরি

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ন

সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি দাবি করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিভিন্ন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক প্রশাসনের ওপর ইরানে সামরিক হামলা চালানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করেছিলেন। তবে সাবেক প্রেসিডেন্টরা এতে সম্মত হননি।

শুক্রবার ‘দ্য ব্রিফিং উইথ জেন পসাকি’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেরি বলেন, তিনি নিজে এমন একাধিক আলোচনায় অংশ নিয়েছেন, যেখানে নেতানিয়াহু সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলার আহ্বান জানান।

কেরির ভাষায়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে ইরানে হামলা চালাতে চেয়েছিলেন। তিনি জানান, এই প্রস্তাব সরাসরি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছেও উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি জো বাইডেন এবং জর্জ ডব্লিউ. বুশ—কেউই এতে সম্মতি দেননি।

তবে কেরির দাবি, একমাত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবে রাজি হয়েছিলেন।

তিনি আরও জানান, নেতানিয়াহু ইরানে হামলার পক্ষে একটি বিস্তারিত ‘চার দফা প্রস্তাব’ দিয়েছিলেন, যেখানে বলা হয়—এ ধরনের হামলা ইরানের নেতৃত্বকে দুর্বল করতে, সরকার পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করতে এবং সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে সহায়ক হতে পারে।

কেরি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে মতভেদ ছিল এবং আলোচনাগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান দেখা যায়।

অন্যদিকে, তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে একটি অভিযান চালায়, যেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।

এই হামলার জবাবে ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাশাপাশি তেহরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয়।

পরবর্তীতে পাকিস্তান, তুরস্ক, চীন, সৌদি আরব ও মিসরের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয় বলে জানানো হয়েছে।

৪০ দিনের সংঘাতের পর হওয়া এই সমঝোতার অংশ হিসেবে দুই দেশ স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসলামাবাদ-এ আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর