সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান ঠেকাতে রাস্তায় ব্যারিকেড, ভেঙে ফেলা হলো কালভার্ট সরকারের ৫ মন্ত্রী ও ১ উপদেষ্টার নাম সংশোধন বেতন-বোনাসসহ ঈদে ৫ দিনের ছুটি দাবি বিএফইউজে ও ডিইউজের মধ্যপ্রাচ্যের ৪ রুটে ফ্লাইট অনির্দিষ্টকাল স্থগিত লেবাননে ৭ দিনে ৮৩ শিশু হত্যা: ইউনিসেফ ইরানের নতুন নেতা মুজতবা খামেনির প্রতি কোনো হামলা মেনে নেবে না চীন হাদির হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ঢাকা ওয়াসায় নতুন এমডি অতিরিক্ত সচিব মনিরুজ্জামান ৫০০ জন খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনা হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল সরকার পতনের স্বপ্ন দেখলে সাবধান হয়ে যান: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস

চট্টগ্রামে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান ঠেকাতে রাস্তায় ব্যারিকেড, ভেঙে ফেলা হলো কালভার্ট

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ বাহিনীর অভিযানের সময় রাস্তায় ট্রাক রেখে ব্যারিকেড এবং কালভার্ট ও নালার স্ল্যাব ভেঙে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, অভিযানের খবর আগেই পেয়ে এসব বাধা তৈরি করে সন্ত্রাসীরা।

আজ সোমবার (৯ মার্চ) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবিসহ যৌথ বাহিনীর প্রায় চার হাজার সদস্য অংশ নিয়েছেন। অভিযানে দুপুর পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান ডিআইজি। তবে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে আলোচিত কোনো সন্ত্রাসী নেই।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসীদের দুটি পক্ষ রয়েছে। একটি পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে রোকন উদ্দিন। ইয়াসিন গত জানুয়ারিতে অভিযানে যাওয়া র‍্যাবের এক কর্মকর্তাকে হত্যার মামলার প্রধান আসামি এবং আলীনগর এলাকায় তার প্রভাব রয়েছে।

পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হাসান বলেন, ছিন্নমূল এলাকায় পৌঁছানোর পর আলীনগরে ঢোকার আগে রাস্তায় একটি ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিল। পরে বাহিনীর সদস্যরা সেটি সরিয়ে সামনে এগিয়ে যান। কিছু দূর এগোনোর পর দেখা যায় একটি কালভার্ট ভেঙে ফেলা হয়েছে। পরে ইট-বালি দিয়ে সেটি সাময়িকভাবে ভরাট করে যৌথ বাহিনীর গাড়ি আলীনগরে প্রবেশ করে।

তিনি আরও বলেন, এটি বড় ধরনের অভিযান হওয়ায় এলাকার বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে সন্ত্রাসীরা আগেই অভিযানের খবর পেয়ে থাকতে পারে।

অভিযানের অংশ হিসেবে সকাল থেকেই জঙ্গল সলিমপুরের চারপাশ ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলোতে বসানো হয়েছে তল্লাশি চৌকি, যাতে কেউ পালিয়ে যেতে না পারে। বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন।

তবে অভিযান চলমান থাকায় এখনই অস্ত্র উদ্ধার বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো যাচ্ছে না বলে জানান অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হাসান। ভবিষ্যতে নির্বিঘ্নে অভিযান পরিচালনার জন্য এলাকাটিতে যৌথ বাহিনীর একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এর আগে, গত জানুয়ারিতে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গেলে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন। ওই ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় করা মামলায় মোহাম্মদ ইয়াসিনসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

এছাড়া, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। কয়েক দশক ধরে সরকারি পাহাড় কেটে সেখানে গড়ে উঠেছে হাজারো অবৈধ বসতি এবং প্লট বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে সক্রিয় রয়েছে বিভিন্ন সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর