বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

গাইবান্ধায় বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০, মোটরসাইকেল ও দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৫:১১ অপরাহ্ন

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মইনুল হাসান সাদিকের অপসারণের দাবিতে সাদুল্লাপুরে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। এ সময় অপর পক্ষের নেতাকর্মীরা লাঠি নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

আজ রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে সাদুল্লাপুর শহরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ও উপজেলা বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। সেইসাথে, আহত হন এক পুলিশ সদস্য, এক সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন।

ডা. সাদিকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভকারীরা জানান, সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি কাউন্সিল ছাড়াই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী দোসরদের পুনর্বাসন করে পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা চলছে। এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ করা হয়। তখন মইনুল হাসান সাদিক, উপজেলা নেতা ছামছুল হাসান ও ছালাম মিয়ার সমর্থিত নেতাকর্মীরা শাহিন আল পারভেজের নেতৃত্বে লাঠি নিয়ে বিক্ষোভকারী ও সাংবাদিকের ওপর হামলা চালায়। এতে উভয়পক্ষের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময়, ছামছুল-ছালাম সমর্থিতদের হামলায় পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক শাকিল মিয়াসহ উভয় গ্রুপের একাধিক ব্যক্তি আহত হন।

পরে উত্তেজিত নেতাকর্মীরা উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ও কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ সময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ছামছুল হাসান ও সদস্য সচিব আব্দুস ছালাম মিয়া অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মাঠে নামে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাদুল্লাপুর শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

এ বিষয়ে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন আল পারভেজ বলেন, হঠাৎ করেই আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি ও পোস্টার ছিঁড়ে চেয়ার ভাঙচুর করে। এ সময় অফিসের সামনে থাকা ৪-৫টি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়।

অপরদিকে, সাদুল্লাপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ছামছুল হাসান ছামছুল বলেন, জেলা সভাপতি ডা. সাদিকের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে বিএনপির একাংশ। পরে তারা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে কয়েকজন আহত হন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম মিয়া বলেন, জেলা সভাপতি ডা. সাদিকের অপসারণ দাবিতে শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিলাম। কিন্তু সাদিকপন্থীরা হামলা করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে আমাদের পক্ষের ৫-৭ জন আহত হয়েছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর