বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগের মধ্যে নয়, বিএনপির মধ্যেও আছে: মীর শাহে আলম অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি যা প্রতিশ্রুতি দেয়, তা বাস্তবায়ন করে : ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় ২ বাংলাদেশি আহত ডেঙ্গুতে একদিনে মৃত্যু ৪, হাসপাতালে ১ হাজার ৫১২ জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২৭ অক্টোবর রাজধানীতে পাকিস্তানি নাগরিক ও ধানমন্ডিতে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার ১২ দেশ ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগের মধ্যে নয়, বিএনপির মধ্যেও আছে: মীর শাহে আলম

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ন

বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত ও আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপির মধ্যেও আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। 

নিজের সন্তানদের নামে ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে সমালোচনার জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, নামকরণের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ জড়িত নেই। তার সন্তানদের নাম সীমান্ত ও দিগন্ত এলাকার মানুষ রেখেছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমালোচনার বিষয়টি জানিয়ে নাম পরিবর্তনের কথা বলার পর তা করা হয়েছে। বর্তমানে ইউনিয়নটির নাম জগন্নাথপুর।

বিভিন্ন এলাকার নামকরণের উদাহরণ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়ার জহরুল নগর সাবেক মেয়র জহরুল সাহেবের নামে হয়েছে। তিনি প্রশ্ন করেন, জহরুল সাহেব কি কবরস্থান থেকে উঠে এসে ওই শহর ভোগ করছেন?

সমালোচনার জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ঢাকার মিরপুর, মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভা কিংবা ঢাকার মীরের বাগ তাঁর বংশের নামে নয়। বিএনপিকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে সমালোচনা করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নামকরণ নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে সীমান্তে সংঘাতের উদাহরণ টেনে মীর শাহে আলম বলেন, সীমান্তে বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে সংঘাত হলে তার দায় তার ছেলের ওপর চাপানো যায় না। এ ধরনের সমালোচনার জবাব দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বগুড়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের উন্নয়নে এক বিন্দুও ছাড় দেওয়া হবে না। গত ২০ বছরের উন্নয়ন ঘাটতি পূরণ করতে চান তারা। এ জন্য বগুড়ার ছয় সংসদ সদস্যসহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর