শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ইরানে হামলা নিয়ে ইসরায়েলের চাপে রাজি হননি বুশ-ওবামা-বাইডেন, রাজি হলেন শুধুই ‘ট্রাম্প’- জন কেরি ক্যান্সার ধরা পড়ার পর যা করেছিলেন নায়ক আলমগীর সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সাকিবকে লম্বা সময়ের জন্যই চাই: প্রধান নির্বাচক বাশার ইরানের অর্থ ছাড়ে সম্মতির খবর ‘ভিত্তিহীন’: যুক্তরাষ্ট্র লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলার নিষ্পত্তি মার্চে সড়কে ঝরেছে ৫৩২ প্রাণ: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে বিএনপি জনগণের রক্তের কথা ভুলে গেছে: নাহিদ ইসলাম ভিজিটর ভিসার মেয়াদ নিয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের নতুন বার্তা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য দল ঘোষণা করল বিসিবি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকবে না রাজনৈতিক ব্যানার: রেল প্রতিমন্ত্রী

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ন

কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানে চলমান দুই দেশের আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে তেহরান। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরানের একটি সূত্র জানায়, জব্দ করা অর্থ মুক্ত করার সিদ্ধান্তটি সরাসরি হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত। ধারণা করা হচ্ছে, চলমান আলোচনায় এই বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র কত পরিমাণ অর্থ ছাড়তে রাজি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

তবে আরেকটি ইরানি সূত্রের দাবি, প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যা কাতারের ব্যাংকগুলোতে আটকে ছিল।

এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে প্রথম ইরানের এই অর্থ জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে অর্থ ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর ইরানের মিত্র ফিলিস্তিনের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রশাসন আবারও এই অর্থ জব্দ করে।

সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ইরান এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না এবং প্রয়োজনে পুরো অর্থ স্থায়ীভাবে জব্দ রাখার অধিকার ওয়াশিংটনের হাতে রয়েছে। এই অর্থের উৎস মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রির আয়। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রশাসন ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে ওই অর্থ আটকে যায়। একই সময়ে বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তিও বাতিল করা হয়।

পরে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তি হয়। ওই চুক্তির আওতায় পাঁচজন মার্কিন নাগরিককে ইরান থেকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আটক পাঁচজন ইরানিকেও মুক্তি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জব্দকৃত অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়। তবে তখন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অর্থ শুধুমাত্র মানবিক কাজে ব্যবহার করা যাবে। খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্য কেনার জন্য অনুমোদিত সরবরাহকারীদের মাধ্যমে এই অর্থ ব্যয় করা হবে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অর্থ ছাড়ার বিষয়ে সম্মতি দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো বাকি রয়েছে।-সূত্র: আল-জাজিরা


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর