মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের ৬ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত : উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

জেলা প্রতিনিধি। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫, ৯:৫৪ অপরাহ্ন

ভারতের নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের ৬ কোটিরও বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বাঁধের কারণে শুকিয়ে গেছে নদ-নদী, ধ্বংস হয়েছে জীবন-জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য সম্পদ এবং জলজ প্রাণী বাস্তুতন্ত্র বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। 

আজ শুক্রবার(১৬ মে) বিকেলে রাজশাহী কলেজ অডিটোরিয়ামে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চের ৪৯ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালি ও আলোচনা সভায়  তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে ‘কারবালার’ মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে । দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততার মাত্রা বেড়ে গেছে, যার ফলে মাছের বৈচিত্র্য বিলুপ্ত হচ্ছে। গড়াই নদীতে ১৮টি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছে, আর নবগঙ্গা নদীতে ১১৮টি প্রজাতি থেকে নেমে এসেছে মাত্র ৩৫টিতে। ভারত আমাদের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। তারা আমাদের ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে। আমরা এজন্য তাদের কখনোই ক্ষমা করবো না। তাদের এই নির্মম অবিচার আমরা রুখে দেব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে আবারও চুক্তি করবো, তবে এবার যদি ঠিকমতো পানি না পাই, তাহলে আন্তর্জাতিকভাবে বিষয়টি আলোচনা করবো। চুক্তির ধারা-উপধারা বাস্তবায়নে আমরা চাপ সৃষ্টি করবো। সরকার হিসেবে চুক্তি নবায়নের সময় এমন ব্যবস্থা নেব, যাতে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা যায়।’

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ‘ফারাক্কা বাঁধ কোনো উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি এক প্রকার মরণবাঁধ। এর ফলে আমাদের ভূ-অর্থনীতিতে ভয়াবহ ক্ষতির ছাপ পড়েছে। ১৮ কোটি মানুষের দেশ কখনো দুর্বল হতে পারে না। আমাদের জাতীয় জাগরণ ঘটাতে হবে।’

মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে স্মরণ করে তারা বলেন, তিনি ছিলেন এক নির্লোভ ও নিঃস্বার্থ নেতা, যিনি ফারাক্কা লং মার্চের মাধ্যমে দেশের মানুষ এবং ভারতের আধিপত্যের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মাহবুব সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সালেহ হাসান নকীব, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ, গবেষক ও লেখক বেনজিন খান, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. যুহুর আলী এবং রাজশাহী বারের সভাপতি এডভোকেট আবুল কাশেম।

 


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর