সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবে ৭৫ ব্রিটিশ এমপির স্বাক্ষর

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন

ফিলিস্তিন ও লেবাননে “গণহত্যার” অভিযোগে ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন কমপক্ষে ৭৫ জন ব্রিটিশ সংসদ সদস্য।

ব্রিটিশ এমপি বার্গন গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর আগেও তিনি এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

২০২৪ সাল থেকে বার্গন এবং আরও কয়েকজন এমপি, যার মধ্যে জেরেমি করবিন ও ও’হারা রয়েছেন, একাধিকবার এমন প্রস্তাব দিয়েছেন। এসব প্রস্তাবে হাউস অব কমন্সকে আহ্বান জানানো হয়, যাতে তারা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সেই প্রস্তাবসমূহকে সমর্থন করে, যেখানে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি শাসনের অবৈধ উপস্থিতি বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।

২০২৪ সালে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের পর বার্গন বলেন, “ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন করেছে। এসব অপরাধ বন্ধ করতে হলে রাজনৈতিক নেতাদের শুধু কথায় নয়, বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে।”

৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে সেখানে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং অন্তত ১ লাখ ৭২ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই শিশু ও নারী বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

এছাড়া গাজার বেসামরিক অবকাঠামো—যেমন হাসপাতাল, স্কুল, ক্রীড়া কেন্দ্র, বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানির সংরক্ষণাগার এবং আবাসিক এলাকা—ব্যাপকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর ফলে গাজার মানুষ অবরুদ্ধ ভূখণ্ডে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে গেছে, যা ইসরায়েলি অবরোধের কারণে খুবই সীমিতভাবে প্রবেশ করতে পারে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর