বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও স্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় নেতৃত্ব দিয়েছে পাকিস্তান: শাহবাজ শরিফ ঢাবির তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত, দুজনকে অব্যাহতি ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার, বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন অবশেষে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ জামায়াত সমর্থিত ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ বিশ্বব্যাপী পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্পিকারের এমবাপ্পের জোড়া গোলে নক আউট পর্বে ফ্রান্স

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরের অভিযোগ, এসআইসহ তিনজন প্রত্যাহার

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য নাঈম হাসানকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধর এবং পরে থানায় নিয়ে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১২ জুন) রাতে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে খুলশী থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)সহ তিনজনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। 

নাঈম হাসানের অভিযোগ, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পৌঁছে বিমানবন্দর থেকে অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন তিনি। লালখান বাজার এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি ডিবি পুলিশ পরিচয়ে গাড়ি থামান। এরপর তাঁকে গাড়ি থেকে নামিয়ে জোরপূর্বক পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয়।

নাঈম জানান, তিনি নিজেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় দেন এবং পরিচয়পত্রও দেখান। কিন্তু এরপরও তাঁকে মারধর করা হয়। তাঁর দাবি, খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম লাঠি দিয়ে এবং পুলিশের সোর্স পরিচয়ধারী এক ব্যক্তি পাইপ দিয়ে তাঁকে আঘাত করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে বহু মানুষ তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করলেও পুলিশ মারধর বন্ধ করেনি। একপর্যায়ে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে আরও হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ঘটনার বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম বলেন, একটি অটোরিকশার মাধ্যমে চোরাচালানের তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। তবে তথ্যের সত্যতা এবং অভিযানে নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কিছু অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চোরাচালান সংক্রান্ত একটি তথ্যের ভিত্তিতে এসআই শফিকুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করেন। তবে ওই তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে নাঈম হাসানের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে খুলশী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় এসআই শফিকুল ইসলাম, এক কনস্টেবল এবং পুলিশের সোর্স সোহেলকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় মারধর ও অপহরণচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, থানায় আনার পর নাঈমের পরিচয় জানা গেলে তাঁর কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। নাঈম হাসান ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিচার দাবি করেছেন।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর