ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এমন গুঞ্জনের মধ্যে নতুন বার্তা দিয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলে সেনাবাহিনীর মূল লক্ষ্য হলো ইরানের শাসনব্যবস্থাকে গুড়িয়ে দেওয়া। দেশটিতে চলা অভিযানের বিষয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো ইরানি জনগণকে বর্তমান সরকারের অত্যাচার থেকে মুক্ত করা। তবে শেষ পর্যন্ত এটা তাদের (ইরানের জনগণের) উপর নির্ভর করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা তাদের মূল শক্তি ভেঙে দিয়েছি। আমাদের অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে উল্লেখিত কয়েকটি মূল ইঙ্গিত নিম্নরূপ:
১. নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে সর্বশেষ ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে প্রায় তিন দিন আগে। ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবধান আরও বেশি, প্রায় চার দিন। এরপর থেকে তার নামে যেসব বিবৃতি এসেছে, সেগুলো শুধু লিখিত আকারে।
২. এর আগে প্রতিদিন অন্তত একটি, কখনো কখনো তিনটি পর্যন্ত ভিডিও প্রকাশিত হতো। গত তিন দিনে একটিও ভিডিও না আসায় জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।
৪. মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের ইসরায়েল সফর হঠাৎ বাতিল হয়েছে। যা আজকের জন্য নির্ধারিত ছিল। এই বাতিলের পেছনে নেতানিয়াহুর স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কোনো ঘটনা রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।
৫. ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর কথিত টেলিফোন আলাপ নিয়ে ইলিসি প্রাসাদের বিবৃতিতে কোনো তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। শুধু একটি লিখিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে, যা সাধারণত সরাসরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।
এই সব ঘটনার সমন্বয়ে হিব্রু ভাষার বিভিন্ন মাধ্যম ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কে নেতানিয়াহুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে ইসরায়েল সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা খণ্ডন দেওয়া হয়নি।