শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র এখনও প্রস্তুত: রুবিও হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যু দেশের বিচারবিভাগ সবচেয়ে স্বাধীন : আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ইসরায়েলের লেবানন দখলের স্বপ্ন কখনোই সফল হবে না: হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানে হামলা করলো যুক্তরাষ্ট্র আরাফার ময়দানে সমবেত সারাবিশ্বের ১৬ লাখেরও বেশি হাজি কোরবানির পশুর বর্জ্য ৮ ঘণ্টায় অপসারণে প্রস্তুত ডিএসসিসি’র সাড়ে ১৩ হাজার জনবল ঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে : বিদ্যুৎ বিভাগ ঈদুল আযহায় নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই: র‌্যাব মহাপরিচালক ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া নিলেই ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালু হতে ৬-৯ মাস লাগবে : বিমান প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ন

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু করতে ৬ থেকে ৯ মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

আজ বুধবার ( ১১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

দ্রুত সময়ের মধ্যে থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রথম বৈঠকেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে গেলেও আমরা যেটা দেখেছি, ৬ থেকে ৯ মাস লাগবে। ৯ মাসের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

বৈঠকে পর্যটন খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় পর্যটন খাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছিল, তবে সেটির কোনো অগ্রগতি হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সে প্রসঙ্গেই তারা এসেছে। পর্যটন শিল্পে তারা বিনিয়োগ করতে চায়। বিশেষ করে আমাদের সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে উন্নীত করতে তাদের বিনিয়োগকারীরা একটি ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে চায়— কীভাবে এটিকে একটি আন্তর্জাতিক উপযোগী বিচে রূপ দেওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিমান চলাচল নিয়েও আলোচনার কথা উল্লেখ করে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, তাদের কিছু ফ্লাইট আছে আমাদের সঙ্গে। সপ্তাহে ১২টা ফ্লাইট যায়। সেক্ষেত্রে তারা ৩টি ফ্লাইট আরও বর্ধিত করতে চায়।

তিনি বলেন, তারা তিনটি অতিরিক্ত ফ্লাইটের জন্য ফ্রিকোয়েন্সি চেয়েছে। আমরা তাদের আবেদন করতে বলেছি। বিষয়টি যাচাই করে দেখব। এতে দুই দেশের যাতায়াত সুবিধা বাড়বে এবং পর্যটন ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

নতুন ফ্লাইটগুলোর রুট সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুটি ফ্লাইট হবে গুয়াংজুতে এবং একটি বেইজিংয়ে।

কবে থেকে এসব ফ্লাইট চালু হতে পারে— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা আমাদের কাছে লিখিত আবেদন করবে। এরপর বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এলে সিভিল এভিয়েশন থেকে অনুমতি দেওয়া হবে।

চীনের সঙ্গে অন্য কোনো চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় চীনের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিল, কিন্তু তার বাস্তবায়নে অগ্রগতি হয়নি।

তিনি বলেন, তারা দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ভিত্তিতে পিপিপি মডেলে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করার কথা বলেছিল। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। তাই তারা আবার আলোচনা করতে এসেছে।

কক্সবাজারে পর্যটন সুবিধা বাড়াতে ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছি, আপনারা প্রস্তাব দিন। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। যদি এটি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হয়, তাহলে আমরা তা বিবেচনা করব।

 


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর