মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

চীনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৯০

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ন

উত্তর চীনের একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে অন্তত ৯০ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে শানসি প্রদেশের লিউশেনইউ কয়লাখনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে টংঝৌ গ্রুপ পরিচালিত খনিটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে ২৪৭ জন শ্রমিক দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ঘটনার পরপরই শত শত উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে স্ট্রেচারে আহতদের বহন করতে দেখা যায়, পাশে ছিল একাধিক অ্যাম্বুলেন্স। এখন পর্যন্ত শতাধিক আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের চিকিৎসা ও জীবিতদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, খনিটির দায়িত্বে থাকা কয়েকজন কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে খনির ভেতরে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা স্বাভাবিক সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল বলে জানা গেছে।

চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ছয়টি উদ্ধারকারী দলের ৩৪৫ সদস্যকে উদ্ধার অভিযানে পাঠানো হয়েছে।

শানসি প্রদেশকে চীনের কয়লাখনির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০০০ সালের শুরুর দিকে দেশটির কয়লাখনিগুলোতে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটত। পরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হলেও এখনো মাঝেমধ্যে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।

এর আগে ২০২৩ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ার একটি উন্মুক্ত কয়লাখনি ধসে ৫৩ জন নিহত হন। আর ২০০৯ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হেইলুংচিয়াং প্রদেশে একটি খনিতে বিস্ফোরণে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কয়লা ব্যবহারকারী দেশ চীন একই সঙ্গে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণেও শীর্ষে রয়েছে। যদিও দেশটি দ্রুতগতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগও চালিয়ে যাচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর