বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ,আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবো: মির্জা ফখরুল রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে চাই: সিইসি নাসির উদ্দিন টানা পাঁচ জয়, রেকর্ড গড়লেন জর্জিয়ার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর শেখ রহমান শিশু রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুরে বিক্ষোভ মিছিল রেমিট্যান্সের সুবাতাস, মে এর ২০ দিনেই এলো ২৬২ কোটি ডলার! পাকিস্তানের সালমানকে তিরস্কার আইসিসির চলমান আলোচনা ‘একটি চুক্তি বা ইরানের ওপর নতুন হামলার সন্ধিক্ষণে রয়েছে’: ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দেশগুলোর দায়িত্ব পুনর্ব্যক্ত করলো জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী মুহিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাকে নৈতিক দায়িত্ব মনে করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দেশগুলোর দায়িত্ব পুনর্ব্যক্ত করলো জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ন

জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দেশগুলোর দায়িত্ব আরও জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছে। জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। 

তবে বড় গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশগুলোর চাপের মুখে দীর্ঘদিনের আলোচিত এ প্রস্তাবের ভাষা কিছুটা নরম করা হয়েছে।

বুধবার ( ২০ মে)  জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু এ উদ্যোগে নেতৃত্ব দেয়।

এর আগে, সাধারণ পরিষদ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) কাছে জলবায়ু প্রতিশ্রুতি রক্ষায় রাষ্ট্রগুলোর দায়বদ্ধতা নিয়ে পরামর্শমূলক মতামত চেয়েছিল।

গত গ্রীষ্মে দেওয়া আইসিজের সেই মতামত জলবায়ু আন্দোলনকারীদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি গুরুত্ব বহন করে। আদালত জানায়, জলবায়ু প্রতিশ্রুতি উপেক্ষা করা ‘অবৈধ।’ একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ‘ক্ষতিপূরণ’ দাবির পথও এতে উন্মুক্ত হয়।

ভোটের আগে জাতিসংঘে ভানুয়াতুর রাষ্ট্রদূত ওডো টেভি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি ক্ষতির বোঝা বহন করছে সাধারণত সেইসব দেশ ও সেগুলোর জনগণ, যারা এ সংকট সৃষ্টিতে সবচেয়ে কম দায়ী।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, কেউ কেউ চায় সাধারণ পরিষদ এ বিষয়ে কম বলুক বা একেবারেই নীরব থাকুক। কিন্তু ক্ষতি বাস্তব এবং তা ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।’

প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১৪১টি। বিপক্ষে ভোট দেয় মাত্র আটটি দেশ। এর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইরান।

তিন দেশই বড় তেল ও গ্যাস রপ্তানিকারক এবং তারা উদ্যোগটি ঠেকানোর চেষ্টা করে।

আইসিজের বাধ্যতামূলক নয়, এমন মতামতকে আরও কার্যকর করতে গত জানুয়ারিতে ভানুয়াতু একটি খসড়া প্রস্তাব তোলে। এর লক্ষ্য ছিল আদালতের মতামত বাস্তবায়নের পথ তৈরি করা।

তবে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর আলোচনার পর প্রস্তাবের ভাষায় বড় পরিবর্তন আনা হয়। অনেক দেশের কাছে জলবায়ু পরিবর্তনের চেয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ও শিল্পখাতের স্বার্থ বেশি গুরুত্ব পায়।

গৃহীত প্রস্তাবে আইসিজের মতামতকে ‘বিদ্যমান আন্তর্জাতিক আইন ব্যাখ্যায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান’ হিসেবে স্বাগত জানানো হয়। একইসঙ্গে জলবায়ু সুরক্ষায় রাষ্ট্রগুলোকে ‘তাদের নিজ নিজ দায়বদ্ধতা পালনের’ আহ্বান জানানো হয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিয় গুতেরেস এক বিবৃতিতে এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানান। তিনি দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর নেতৃত্ব ও তরুণদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

গুতেরেস বলেন, ‘এটি আন্তর্জাতিক আইন, জলবায়ু ন্যায়বিচার, বিজ্ঞান ও জনগণকে ক্রমবর্ধমান জলবায়ু সংকট থেকে রক্ষায় রাষ্ট্রগুলোর দায়িত্বের শক্তিশালী স্বীকৃতি।’

প্রস্তাবে শিল্পবিপ্লব-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করা হয়। বিশেষ করে, জ্বালানি ব্যবস্থায় জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

২০২৩ সালের বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে প্রায় ২০০ দেশ এ লক্ষ্য গ্রহণ করেছিল।

তেল উৎপাদনকারী সৌদি আরব ও কুয়েত কয়েকটি সংশোধনী আনার চেষ্টা করে।

এসব সংশোধনীতে জলবায়ু পদক্ষেপের নির্দেশক কাঠামো হিসেবে আইসিজের মতামতের কয়েকটি উল্লেখ বাদ দেওয়ার প্রস্তাব ছিল। ভানুয়াতু বলেছে, এতে উদ্যোগগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর