বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

রাত ১২টার পর খাবার খেলে শরীরে যা ঘটে!

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ন

রাত ১২টার পর খাবার খাওয়া অনেকের অভ্যাস হলেও এটি শরীরের ওপর নানা ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নিয়মিত দেরি করে খেলে হজম, ঘুম ও বিপাকক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রাত ১২টার পর খাবার খেলে যা ঘটে শরীরে-

১. হজমে সমস্যা বাড়ে: রাতে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এ সময় ভারী বা তৈলাক্ত খাবার খেলে বদহজম, গ্যাস, বুকজ্বালা ও অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়ে।

২. ওজন বৃদ্ধি হতে পারে: দেরি করে খেলে শরীর খাবার থেকে পাওয়া ক্যালোরি দ্রুত পোড়াতে পারে না। ফলে অতিরিক্ত ক্যালোরি চর্বি হিসেবে জমে যেতে পারে, যা ধীরে ধীরে ওজন বাড়ায়।

৩. ঘুমের মান নষ্ট হয়: খাওয়ার পরপর ঘুমালে শরীর বিশ্রামের বদলে খাবার হজমে ব্যস্ত থাকে। এতে গভীর ঘুম ব্যাহত হতে পারে এবং সকালে ক্লান্ত লাগতে পারে।

৪. রক্তে শর্করার ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে: রাতে দেরি করে অতিরিক্ত খাবার খেলে রক্তে গ্লুকোজের ওঠানামা বাড়তে পারে। দীর্ঘদিন এমন অভ্যাস থাকলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

৫. হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে: গবেষণায় দেখা গেছে, অনিয়মিত সময় খাওয়া ও গভীর রাতে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

৬. সকালে ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়: রাতে বেশি খেলে সকালে স্বাভাবিক ক্ষুধা কমে যায়। এতে সকালের নাশতা বাদ পড়ার প্রবণতা তৈরি হয়, যা শরীরের জন্য ভালো নয়।

যদি রাত জাগতেই হয়, তাহলে কী খাবেন? 

রাত জাগার সময় খুব ক্ষুধা লাগলে হালকা খাবার বেছে নেয়া ভালো। যেমন—
ফল, দই, বাদাম, ওটস, হালকা স্যুপ,

যেগুলো এড়িয়ে চলবেন-
ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত মিষ্টি, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চা-কফি, ফাস্টফুড

সুস্থ থাকার পরামর্শ
ঘুমানোর অন্তত ২–৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার চেষ্টা করুন। নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর