আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) সুনামগঞ্জ, রংপুর, ময়মনসিংহ, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার পৃথক পৃথক স্থানে এ সব দুর্ঘটনা ঘটে।
বজ্রপাতে নেত্রকোণায় একজন, ময়মনসিংহে দুইজন, রংপুরে দুইজন, হবিগঞ্জে একজন ও সুনামগঞ্জে পাঁচ জনসহ পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় মোট ১১ জনের প্রাণ গেছে।
নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় হাওরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া (৬৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
উপজেলার সুখারী ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের সামনের হাওরে দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আলতু মিয়া হাতিয়া গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে।
অপরদিকে, ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে রহমত আলী (উজ্জ্বল) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
দুপুরে উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের বায়রাউড়া গ্রামে ধান কাটার সময় এ ঘটনা ঘটে।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় একটি মৎস্য খামারে মাছ ধরার সময় বজ্রাঘাতে দুই ব্যক্তি মারা গেছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।
এই ঘটনায় যারা মারা গেছেন, তারা হলেন- মিলন মিয়া (৩৫) ও আবু তালেব (৬৫)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খামারের পুকুরে জাল দিয়ে মাছ ধরতে গিয়েছিল। হঠাৎ বজ্রপাত হলে পুকুরে থাকা জেলে ও পাড়ের দর্শনার্থীরা দগ্ধ ও আহত হন।
আহত তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনায় যারা মারা গেছেন, তারা হলেন- ধর্মপাশার হাবিবুর রহমান (৩০) ও রহমত উল্লা (১৫), জামালগঞ্জের নাজমুল হোসেন (২৬), তাহিরপুরের আবুল কালাম (২৫) ও দিরাইয়ের লিটন মিয়া (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে হাওরে ধান কাটতে গিয়ে এ সব প্রাণহানি ঘটে। প্রতিটি উপজেলায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অন্যদিকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৬০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার দুপুর ১২টায় উপজেলার বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের বিবিয়ানা নদীর তীরবর্তী মমিনা হাওড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত সুনাম উদ্দিন ওই ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর ছেলে।