দেশে নকল প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ।
তিনি স্মরণ করে বলেন, ২০০১ সালে কুমিল্লার আমড়াতলী হাই স্কুল থেকে প্রথম নকলবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছিল, যেখানে দু’জন শিক্ষককেও গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সভায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডসহ মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের সুরক্ষা দেওয়া হলেও শিক্ষায় অনিয়ম হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অতীতে দায়িত্ব পালনকালে কোনো শিক্ষক আহত হলে তাকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হতো বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সঠিকভাবে শিক্ষাদান করলে তা সদকায়ে জারিয়ার মতো কাজ করবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে তিনি ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এখানে অসৎ কাজের কোনো সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, অতীতে দীর্ঘ সময় নকল চললেও ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং ভবিষ্যতেও নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
তবে তিনি জানান, ২০২৬ সালের পরীক্ষায় কোনো প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য হলেও তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।