বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

চীনা পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বুধবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৫, ১০:১৬ অপরাহ্ন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি চীনা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ক্ষমতা গ্রহণের একদিন পর মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে একথা বলেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি চীনা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা ভাবছেন।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ কথা জানায়।

চীন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্রের বাজার চীনা পণ্যের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তারপরও চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ট্রাম্পের দাবি, চীন থেকে ব্যথানাশক ফেন্টানিলের রাসায়নিক উপাদান মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ করে। অতিমাত্রায় ফেন্টানিল সেবনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বছরে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে।

ট্রাম্প প্রথম মেয়াদেও চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছিলেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি দেশটির পণ্যের ওপর ৬০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।

এছাড়া মেক্সিকো ও কানাডার পণ্যের ওপরও ট্রাম্প ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন।

ধারণা করা হয়েছিল, প্রথম দিনেই ট্রাম্প কানাডা ও মেক্সিকোর পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করতে পারেন। কিন্তু তা তিনি আপাতত করেননি।

তবে প্রথমদিন সোমবার ওভাল অফিসে বসেই কোন কোন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সম্পর্কে অন্যায্যতা আছে, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন, আমদানি পণ্যে শুল্ক আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।

এদিকে সমালোচকরা মনে করেন, এসব শুল্কের ভার শেষমেশ ভোক্তাদের ঘাড়েই পড়বে। এছাড়া দেশের বাইরে থেকে রাজস্ব আহরণে ট্রাম্প ‘এক্সটার্নাল রেভিনিউ সার্ভিস’ নামের একটি বিভাগ স্থাপন করবেন।

এদিকে বাণিজ্য উত্তেজনার সমাধান খোঁজার চেষ্টা করছে চীন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ না করেই মঙ্গলবার চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তার দেশ বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে ‘সমাধান খুঁজছে’ এবং আমদানি সম্প্রসারণে পদক্ষেপ নিচ্ছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর