বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ন

মিয়ানমারের রাখাইনের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার শুনানি শুরু হয়েছে।

আজ সোমবার ( ১২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় এই শুনানি শুরু হয়েছে এবং এটি টানা তিন সপ্তাহ চলবে। 

গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটিই প্রথম গণহত্যার মামলা, যা আন্তর্জাতিক বিচার আদালত পূর্ণাঙ্গভাবে শুনানি করতে যাচ্ছে। এই মামলার রায় কেবল মিয়ানমারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং গাজা যুদ্ধ নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইসিজেতে দক্ষিণ আফ্রিকার করা গণহত্যার মামলার ওপরও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যেতে পারে।

জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক স্বাধীন তদন্ত প্রক্রিয়ার প্রধান নিকোলাস কুমজিয়ান রয়টার্সকে বলেন, ‘গণহত্যাকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে, এটি কীভাবে প্রমাণ করা যাবে এবং এর প্রতিকারই বা কী এই বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে এই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে।’

২০১৯ সালে পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম প্রধান দেশ গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে এই মামলাটি করে। মামলায় মিয়ানমারের প্রত্যন্ত পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী এক নৃশংস অভিযান শুরু করে, যার ফলে অন্তত ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

জাতিসংঘের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, ২০১৭ সালের সামরিক অভিযানে গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। তবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছে যে, মুসলিম উগ্রবাদীদের হামলার জবাবে তাদের সামরিক অভিযান ছিল একটি বৈধ সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ।

২০১৯ সালে আইসিজেতে মামলার প্রাথমিক শুনানিতে মিয়ানমারের তৎকালীন নেত্রী অং সান সু চি গাম্বিয়ার গণহত্যার অভিযোগকে অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

এবারের শুনানির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক আদালত এই নৃশংসতার শিকার রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করবে। তবে সংবেদনশীলতা এবং গোপনীয়তার খাতিরে এই অধিবেশনগুলো জনসাধারণ ও গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত করা হবে না।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর