মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

রাজনৈতিক সংকটে যুক্তরাজ্য

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী দুই-দলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা এখন শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ গৃহযুদ্ধ এবং বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির ঐতিহাসিক ধস দেশটিকে এক চরম অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় ২০২৬ সালের আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে বর্তমান ব্যবস্থার জন্য ‘অগ্নিপরীক্ষা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্ব এখন খোদ লেবার পার্টির ভেতরেই চ্যালেঞ্জের মুখে। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের জনপ্রিয় মেয়র অ্যান্ডি বার্নহামকে উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হতে বাধা দেওয়ায় দলের ভেতরে ‘গোষ্ঠীগত রাজনীতি’র অভিযোগ উঠেছে। এই সুযোগে উত্তর ইংল্যান্ডে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন ‘রিফর্ম ইউকে’ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। ভোটারদের একাংশের ধারণা, লেবার পার্টি এখন জনবিচ্ছিন্ন এক আমলাতান্ত্রিক যন্ত্রে পরিণত হয়েছে।

বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির জনপ্রিয়তা তলানিতে ঠেকেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারির জরিপ বলছে, মাত্র ১৯ শতাংশ ভোটার তাদের পক্ষে রয়েছেন। রবার্ট জেনরিক ও সুয়েলা ব্রাভারম্যানসহ প্রভাবশালী নেতাদের ‘রিফর্ম ইউকে’-তে যোগদানের ফলে শ্রমজীবী ভোটারদের ৩৯ শতাংশ এখন ফারাজের দলকে সমর্থন করছে।

জেরেমি করবিনের নেতৃত্বাধীন বামপন্থি জোটগুলো অভ্যন্তরীণ কোন্দলে অচল হয়ে পড়ায় দক্ষিণ এশীয় ও ব্রিটিশ মুসলিম কমিউনিটিসহ নতুন অভিবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা একে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে দেখছেন। এই শূন্যতায় তরুণ ও নগরকেন্দ্রিক পেশাজীবীদের মাঝে ‘গ্রিন পার্টি’ একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।

ওয়েস্টমিনস্টারের প্রতিষ্ঠিত শক্তিগুলোর ওপর আস্থা হারিয়ে সাধারণ মানুষ এখন নতুন কোনো শক্তির সন্ধানে রয়েছে, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে স্থানীয় নির্বাচন। এতে ভোটার উপস্থিতি ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে। সামগ্রিকভাবে ব্রিটেনের রাজনীতি এখন এক অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর