সূত্র মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে আরও ১০ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এর মাধ্যমে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও গণহত্যায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ২৯৩ জনে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সোমবার থেকে আরও ৪২ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০৬ জনে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। বহু ভুক্তভোগী এখনও ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং বিভিন্ন রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। ক্রমাগত হামলা ও বাধার কারণে অ্যাম্বুলেন্স এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের উদ্ধারকারীরা তাদের উদ্ধার করতে পৌঁছাতে পারছেন না।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় তাদের দৈনিক হামলা থামায়নি। এই কথিত যুদ্ধবিরতির সময়কালেও ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ১৬৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩ হাজার ৭৯৮ জন আহত হয়েছেন।
উল্লেখ, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই ভয়াবহ সংঘাত গাজা উপত্যকাকে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। দীর্ঘদিনের এই হামলায় অবরুদ্ধ অঞ্চলটির ২৪ লক্ষ অধিবাসী এখন চরম খাদ্য সংকট, চিকিৎসা অভাব ও তীব্র মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।