বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
মাদক নির্মূলে শিগগিরই দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ না বুঝে নববর্ষের গায়ে কেউ কেউ নানা মতের মুখোশ পরাতে চায় : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আজ পহেলা বৈশাখ : স্বাগত বাংলা ১৪৩৩ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর থামিয়ে বিএনপি নেতার মুক্তি দাবি ‘বাংলা নববর্ষে যেকোনো ধরনের নাশকতা রোধে প্রস্তুত র‌্যাবের স্পেশাল ফোর্স’-র‍্যাব মহাপরিচালক ট্রাম্পের নৌ অবরোধের হুমকিকে ‘অত্যন্ত হাস্যকর’ বললেন ইরানের নৌ প্রধান ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের ৩ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মুখে পড়বে: জাতিসংঘ সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমাল সরকার হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ-অবরোধে সায় নেই যুক্তরাজ্যের: স্টারমার

দেশের খাদ্য মজুদ ইতিহাসের সর্বোচ্চ : খাদ্য উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৪:৩৩ অপরাহ্ন

বর্তমানে দেশে ২১ লাখ ৭৯ হাজার টন খাদ্য মজুদ রয়েছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এটাকে অত্যন্ত সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছেন।

সোমবার (১১ আগস্ট) মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলা সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেছেন। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা।

তিনি জানান, নিরাপদ খাদ্য মজুদের ন্যূনতম পরিমাণ হচ্ছে প্রায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন। খাদ্য নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় সরকার আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে।

খাদ্য উপদেষ্টা জানান, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এই বছর ১৭ আগস্ট থেকে শুরু হবে এবং এর আওতাও বাড়ানো হয়েছে। এবার সুবিধাভোগী পরিবার সংখ্যা ৫ লাখ বাড়িয়ে মোট ৫৫ লাখ পরিবারে পৌঁছানো হবে।
প্রত্যেক সুবিধাভোগী পরিবার প্রতি মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল পাবে।

খাদ্য উপদেষ্টা আরো জানান, গত বছর এই কর্মসূচি পাঁচ মাস চললেও এ বছর তা ছয় মাস ধরে চলবে। প্রথম ধাপে আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাস এই কর্মসূচি চলবে। এরপর ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে এটি বন্ধ থাকবে এবং ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে আবার শুরু হবে।

তিনি জানান, এ বছর এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১০ লাখ টন চাল বিতরণ করা হবে।

খাদ্য উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না এবং কোনো অসদাচরণের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর এবং ঢাকা বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুরাইয়া খাতুন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর