আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এই কর্মপরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি চাকরির বিশাল এই শূন্যপদ পূরণে ইতোমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি একটি বিশেষ ‘রোডম্যাপ’ বা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়েই আগামী ছয় মাসের মধ্যে ২ হাজার ৮৭৯ জন, এক বছরের মধ্যে ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে ৩ হাজার ১১০ জন জনবল নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংসদকে আশ্বস্ত করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মোট ৫ লাখ শূন্যপদ পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাদের বর্তমান জনবল কাঠামো ও শূন্যপদের হালনাগাদ তথ্য পাঠানোর জন্য ইতিমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘স্ট্যাটিসটিক্স অব পাবলিক সার্ভেন্টস ২০২৪’-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য ছিল। এর মধ্যে নবম গ্রেড পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার পদ খালি রয়েছে প্রায় ৬৯ হাজার। এ ছাড়া দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেডে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি এবং অন্যান্য গ্রেডগুলোতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদ বর্তমানে জনবলহীন অবস্থায় রয়েছে।