মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

দুবাইয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ২১ ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ নিহতের শঙ্কা

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমের একটি বিশাল গুদাম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার (২৮ মার্চ) ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের একজন মুখপাত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নেভির এক যৌথ ‘হাইব্রিড অপারেশন’-এর মাধ্যমে এই গুদামটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ইরান দাবি করছে, এই গুদামটিতে রক্ষিত উন্নত সরঞ্জামগুলো মার্কিন বাহিনীকে সহায়তার উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা হয়েছিল।

মুখপাত্রের দাবি, হামলার সময় দুবাইয়ের ওই অবস্থানে অন্তত ২১ জন ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন। আইআরজিসি জানিয়েছে, হামলার পর সেখানে উপস্থিত ইউক্রেনীয় বাহিনীর সদস্যদের ভাগ্য সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে তারা সবাই নিহত হয়েছেন।

একই সঙ্গে দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন কমান্ডার ও সৈন্যদের গোপন আস্তানাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। সেখানে তারা ‘ভারী ক্ষয়ক্ষতির’ কথা উল্লেখ করেছেন।

দুবাইয়ের মতো একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রে ইউক্রেনীয় সরঞ্জাম ও মার্কিন অবস্থানের ওপর এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা দেশগুলোতে এই ধরনের হামলা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের পর কোনো উসকানি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে।
ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলার জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আঞ্চলিক ঘাঁটিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান।-সূত্র: তাসনিম নিউজ


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর