বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

সিরিয়ার আলেপ্পো শহর বিদ্রোহীদের দখলে , নিহত ৩০০

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ শাসিত সিরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেপ্পোর বেশিরভাগ এলাকা নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী। শহরটি থেকে ইতোমধ্যে পিছু হটেছে সরকারি বাহিনী। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর বিবিসি ও আল জাজিরার।

সিরিয়ার সেনাবাহিনী স্বীকার করেছে, বিদ্রোহীরা শহরের বেশির ভাগ এলাকায় ঢুকে গেছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে এটি সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহীদের বড় পদক্ষেপ।

এসওএইচআর সিরিয়ার কিছু নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করে। তারা জানিয়েছে, সিরিয়া ও রাশিয়ার বিমানগুলো শুক্রবার ওই এলাকায় অন্তত ২৩বার বিমান হামলা চালিয়েছে।

এসওএইচআর বলছে, গত বুধবার থেকে শুরু সংঘাতে তিন শতাধিক নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২০ জন বেসামরিক রয়েছে। রাশিয়া দাবি করেছে, রুশ বিমানবাহিনীর সহায়তায় সিরিয়ান বাহিনী ৩০০ বিদ্রোহীকে হত্যা করেছে।

২০১৬ সালে বিদ্রোহীদের আলেপ্পো থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকারি বাহিনী। এরপর থেকে এটিই বিদ্রোহীদের বড় লড়াই।

ইসলামপন্থী গ্রুপ হায়াত তাহরির আল-শামস (এইচটিএস)-এর সঙ্গে যোগসূত্র আছে এমন চ্যানেলে পোস্ট করা ভিডিওতে শহরের ভেতরে গাড়িতে বিদ্রোহী যোদ্ধাদের দেখা যাচ্ছে।

২০১১ সালে গণতন্ত্রপন্থীদের বিক্ষোভ দমনে সরকারি বাহিনীর অভিযানের পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধে অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

জিহাদিসহ যে কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী আসাদ সরকারের বিরোধিতা করেছিল তারা দেশটির বিভিন্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। সিরিয়ার সরকার পরবর্তী সময়ে রাশিয়া ও অন্য সহযোগীদের সহায়তায় দেশটির অধিকাংশ এলাকা পুনর্দখল করে নেয়।

তবে দেশটির ইদলিব এখনো বিরোধীদের শক্ত ঘাঁটি। এর বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে এইচটিএস। তবে তুর্কি সমর্থিত বিদ্রোহীদের একাংশ ও তুর্কি বাহিনীও সেখানে অবস্থান করছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর