বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

যা করলে মাত্র ১৫ দিনেই উধাও হবে শরীরের থলথলে চর্বি!

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:১৩ অপরাহ্ন

পেটের মেদ আমাদের জন্য একটি বিব্রতকর বিষয়। উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার যে পেটের মেদ বাড়ায় তা নয়, বেশি ক্যালরিযুক্ত যে কোনো খাবারই পেটের মেদ বাড়াতে পারে। একবার পেটে মেদ জমলে জিমে না যাওয়া পর্যন্ত সেটা আর কমানো যাবে না, এ ধারণা ভুল। সময়ের অভাবে আমরা প্রতিদিন জিমে যেতে পারি না। জিমে না গিয়েও মেদ কমানো সম্ভব।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলছেন, শরীরকে সুস্থ ও মনকে নির্মল রাখতে শরীর চর্চার কোনো বিকল্প নেই। শরীর চর্চার উদ্দেশ্য হলো শারীরিক সুস্থতা, যা শারীরিক ব্যায়াম নির্ভর। এটি স্বাস্থ্য রক্ষা ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শক্তিশালী করার উপায়। তবে এর জন্য জিমে যাওয়ার দরকার নেই। দৈনন্দিন জীবনে কয়েকটি নিয়ম মেনে চললে জিমে না গিয়েও ফিট থাকা সহজ হবে।

পেটের মেদ আমাদের জন্য একটি বিব্রতকর বিষয়। উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার যে পেটের মেদ বাড়ায় তা নয়, বেশি ক্যালরিযুক্ত যে কোনো খাবারই পেটের মেদ বাড়াতে পারে। একবার পেটে মেদ জমলে জিমে না যাওয়া পর্যন্ত সেটা আর কমানো যাবে না, এ ধারণা ভুল। সময়ের অভাবে আমরা প্রতিদিন জিমে যেতে পারি না। জিমে না গিয়েও মেদ কমানো সম্ভব।

আসুন জেনে নিই কয়েকটি টিপস

১. অফিস, শপিংমল : প্রায় সব জায়গাতেই সিঁড়ি এবং লিফট থাকে। রোগা হওয়ার কথা ভেবে থাকলে কয়েক দিন এ সব জায়গায় লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে শরীরচর্চার কাজ হবে। রোগা হওয়ার রুটিনে শরীরচর্চার ঘাটতি পূরণ করা যেতে পারে।

২. কাজের ফাঁকে হাঁটাহাঁটি করুন। এক ভাবে দীর্ঘক্ষণ বসে না থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর উঠে একটু হাঁটাচলা করুন। বাড়িতে কাজ করার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। একটু স্ট্রেচিং করলেন। ১০ মিনিট হেঁটে এলেন। তাতেই হবে। অল্প দূরত্বের রাস্তায় রিকশাতে না চড়ে হেঁটে চলাচল করতে পারেন। এতে আপনার মেদ কমতে সাহায্য করবে।

৩. হাঁটতে হাঁটতে কথা বলুন। প্রিয়জনের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়েছেন। সঙ্গীর সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে অনেকেই বেছে নেন কোনো ক্যাফে কিংবা রেস্তোরাঁ। এখন থেকে কোথাও না বসে বরং হাঁটতে হাঁটতে সঙ্গীর সাথে কথা বলুন, সময় কাটান। এতে শরীর আর প্রেম, দুটোই একসঙ্গে হবে। একসঙ্গে দুটোর যত্নও নেওয়া হবে।

৪. এছাড়া বাড়িতে বসেই ছোটখাটো কাজগুলো করতে পারেন। যেমন ঘর মোছা, কাপড় কাচাসহ অন্য কাজগুলো করলে শরীরের ব্যায়াম হবে, শরীর ভালো থাকবে।

এসব নিয়ম মেনে চললে আপনাকে রেগুলার আর জিমে যেতে হবে না। বাড়িতে বসেই আপনি খুব সহজে শরীর চর্চা করতে পারবেন। এভাবে ব্যায়াম করলে ১৫ দিন পরে নিজেই টের পাবেন শরীরের মেদ কতটুকু কমেছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর