বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কেন কাঁদলেন আমির

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪, ৩:০৮ অপরাহ্ন

আমির খান একটি ফিল্মি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। বাবার পথ অনুসরণ করে রুপালি জগতে পা রাখেন তিনি। সময়ের সঙ্গে আমির যশ-খ্যাতির পাশাপাশি অনেক অর্থের মালিকও হয়েছেন। বর্তমানে আমির খানের যে ঝকঝকে জীবন দেখতে পাই, তার আড়ালে সংগ্রামী জীবন লুকিয়ে আছে। আর সেসব কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি।

এ অভিনেতা বলেন, ‘আমার মনে আছে, আমাদের স্কুল ইউনিফর্ম যখন বানিয়ে দেওয়া হতো, তখন আম্মি এটি ভাঁজ করে ফোল্ড করে দিতেন, যাতে আমাদের নতুন প্যান্ট বানাতে না হয়। আর এই ইউনিফর্মে ২-৩ বছর পার হয়ে যেত।’

৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াকালীন স্কুলের বেতন ছিল ৬ রুপি। সপ্তম শ্রেণিতে ছিল ৭ রুপি। দশম শ্রেণিতে ১০ রুপি ছিল। কিন্তু পুরো স্কুল জীবনে এমন কোনো বছর নেই, যে বছর আমিরের স্কুলের বেতন সঠিক সময়ে দিতে পেরেছেন তার বাবা। অর্থ সংকটসহ নানা প্রতিকূলতার মাঝে বাবা-মায়ের দেওয়া সময়টাই সেরা বলে মনে করেন আমির।

পুরোনো সেই দিনের এসব কথা বলতে গিয়ে আমির খানের চোখের পাতা ভিজে উঠে।

 


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর