বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় ৮৪ বাংলাদেশিসহ ২২৫ জন অভিবাসী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫, ৫:৪৭ অপরাহ্ন

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পাসির গুদাংয়ে অবস্থিত বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল প্রক্রিয়াকরণ ও নির্মাণ স্থাপনায় অভিযান চালিয়ে ৮৪ বাংলাদেশিসহ ২২৫ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির দেশটির জোহর অভিবাসন বিভাগ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) জোহর ইমিগ্রেশনের পরিচালক মোহাম্মদ রুসদি মোহাম্মদ দারুস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রশ্নবিদ্ধ স্থানে বৈধ পারমিট ছাড়া বিদেশিরা কাজ করছে বলে জনসাধারণের তথ্য পাওয়ার পর মঙ্গলবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ৬৬৪ জন স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র যাচাই বাছাই শেষে ২২৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে ১৩৩ চীনা, ৮৪ বাংলাদেশি এবং দুজন করে ইন্দোনেশিয়ান, পাকিস্তানি ও নেপালের নাগরিক রয়েছেন। তাদের সবার বয়স ২১ থেকে ৬৩ বছরের মধ্যে। এছাড়াও প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ কর্মকর্তাসহ স্থানীয় একজন পুরুষ ও একজন নারীকেও আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের ৬(১)(সি) ধারা (বৈধ পাস বা অনুমতি ছাড়া মালয়েশিয়ায় প্রবেশ ও অবস্থান), এবং ১৫(১)(সি) ধারা (পাস বা অনুমতি মেয়াদোত্তীর্ণ বা বাতিল হওয়ার পর মালয়েশিয়ায় অবস্থান) এর অধীনে তদন্ত চলছে।

রুসদি আরও বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন রেগুলেশনের ১১(৭)(এ) ধারা (সোশ্যাল ভিজিট পাসের অপব্যবহার) এবং ৩৯(বি) ধারা (পাসের শর্ত লঙ্ঘন) এর অধীনেও তদন্ত করা হচ্ছে।

আটককৃত দুই স্থানীয় নাগরিককে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের ৫৬(১)(ডি) ধারার (বিদেশি নাগরিকদের আশ্রয় দেয়া) অধীনে তদন্ত করা হচ্ছে।

এদিকে, অভিযান চলাকালীন ছয়জন জনকে জিজ্ঞাসাবাদে সহায়তা করার জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিভিশন অফিসে উপস্থিত হওয়ার নোটিশ দেয়া হয়েছে।-নিউজ২৪


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর