বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

হ্যানিট্রাপে টাকা আদায়ের চেষ্টা, না পেরে ২৬ টুকরো: র‌্যাব

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:০১ অপরাহ্ন

রংপুরের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আশরাফুল হককে (৪২) প্রেমের ফাঁদে ফেলে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে টাকা আদায় করার টার্গেট ছিল জরেজ ও তার কথিত প্রেমিকা শামীমা আক্তারের।

আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে কাওরানবাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফিন।

তিনি বলেন, মূল আসামি জরেজের সঙ্গে শামীমা আক্তারের এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শামীমাকে জরেজ জানান—তার এক বন্ধুকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা আদায় করা সম্ভব এবং সেটা দুইজন ভাগ করে নেবে। এখানে জরেজ ৭ ও শামীমা ৩ লাখ নেবে। উক্ত পরিকল্পনানুযায়ী শামীমা এক মাস আগে থেকে নিহত আশরাফুলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ শুরু করে, তার প্রতি আকৃষ্ট করা অব্যাহত রাখে। তাদের মধ্যে অডিও ও ভিডিও কলে যোগাযোগ চলতে থাকে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ নভেম্বর জরেজ ও আশরাফুল দু’জনে ঢাকায় এসে শামীমার সঙ্গে দেখা করেন। পরবর্তীতে ঢাকার শনির আখড়ায় ৫ হাজার টাকা দিয়ে তিনজনে একটা বাসা ভাড়া নেন। পরে চেতনানাশক ব্যবহার করে আশরাফুলকে অচেতন করে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে জরেজ এবং ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা করে বলে জানান র‌্যাব।

হত্যা সম্পের্কে তিনি আরও বলেন, শামীমার দেয়া তথ্যমতে ১২ নভেম্বর দুপুরে আশরাফুল পুরোপুরি অচেতন হয়ে পড়লে জরেজ আশরাফুলের হাত দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং মুখ স্কসটেপ দিয়ে আটকে দেয়। জরেজ অতিরিক্ত ইয়াবা সেবন করে উত্তেজিত হয়ে অচেতন থাকা আশরাফকে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। অতিরিক্ত আঘাত এবং মুখ স্কসটেপ দিয়ে আটকানো থাকায় শ্বাস না নিতে পেরে ঘটনা স্থলেই আশরাফুল মারা যায়। একই ঘরে জরেজ এবং শামীমা সেই মরদেহের সাথেই রাত যাপন করেন।

পরবর্তীতে ১৩ নভেম্বর মৃতদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে জরেজ বাজার হতে চাপাতি ও দুটি ড্রাম কিনে আনেন। এরপর চাপাতি দিয়ে মরদেহটিকে মূলত ২৬ টুকরো করেন এবং দুটি নীল রঙের ড্রামে ভরে রাখেন। হাইকোর্ট মাজার গেইটের নিকট আসলে রাস্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখে মরদেহ ভর্তি ড্রাম দুটি হাইকোর্টের পানির পাম্প সংলগ্ন প্রধান সড়কের পাশে একটি বড় গাছের নিচে ফেলে, তারা অতিদ্রুত হাইকোর্ট এলাকা হতে একটি অটো যোগে সায়েদাবাদ চলে যায়।

প্রসঙ্গত, এর আগে, গত রাতে র‌্যাব-৩ কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করে শামীমাকে। আর মূলহোতা জরেজকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর