বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ন

সারা দেশে হাম পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে হাম এবং হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আজ সোমবার (৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ভয়াবহ তথ্য জানানো হয়। এটি বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাবে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৩১১ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪৫৬।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২ শিশুর। অন্যদিকে সন্দেহজনক মৃত্যু ১৫ শিশুর। ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এই বিভাগে। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৯ জনে। আর নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৫৪। এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৪৬৭।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর ভর্তির সংখ্যা ২৮ হাজার ৮৪২। হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞারা জানাচ্ছেন, গত বছরগুলোতে টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি থাকায় শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে, যার ফলে এই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ইতোমধ্যে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তাতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, শিশুর তীব্র জ্বর, সর্দি-কাশি কিংবা শরীরে লালচে দানা দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য।

 


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর