বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ন

সারা দেশে হাম পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে হাম এবং হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আজ সোমবার (৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ভয়াবহ তথ্য জানানো হয়। এটি বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাবে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৩১১ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪৫৬।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২ শিশুর। অন্যদিকে সন্দেহজনক মৃত্যু ১৫ শিশুর। ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এই বিভাগে। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৯ জনে। আর নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৫৪। এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৪৬৭।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর ভর্তির সংখ্যা ২৮ হাজার ৮৪২। হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞারা জানাচ্ছেন, গত বছরগুলোতে টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি থাকায় শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে, যার ফলে এই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ইতোমধ্যে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তাতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, শিশুর তীব্র জ্বর, সর্দি-কাশি কিংবা শরীরে লালচে দানা দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য।

 


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর