বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ভালুকায় দলিল লেখক হত্যা: ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন আজ রাতে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, একাদশে পরিবর্তনের ইঙ্গিত কোচের ফ্রান্সকে দুই গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর ফাইনালে স্পেন আমির খানকে হ’ত্যা করতে ৫ কোটি রুপি পুরস্কার ঘোষণা ২৪ এর জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত কেউই ছাড় পাবে না: চিফ প্রসিকিউটর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব: মাহদী আমিন ১৮ বারের মতো পেছালো হাদি হত্যা মামলার তদন্ত সচিবালয় অভিমুখে শিক্ষার্থীদের লংমার্চ ইরানে মার্কিন হামলায় ৩০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব: মাহদী আমিন

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুন্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব।

আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

সাতটি জেলা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে ছুটে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি যে আবেগ,  উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসা এটিই প্রমাণ করে একজন জনগণের নেতা যখন রাষ্ট্র পরিচালনায় আসে, কীভাবে তিনি দেশের মানুষের ভাগ্যকে বদলে দিতে পারেন। আমরা ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর সেই রুপকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এবং তাঁর হাতকে শক্তিশালী করে বাংলাদেশের বিপর্যস্ত, লুন্ঠিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে তুলবো।সবাই মিলে বিনির্মাণ করব এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে শিক্ষার্থীরা হবে আগামী বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর, মূল অগ্রদূত।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, আমরা চাই এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা, বিরুপ প্রকৃতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে আমাদের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করবে আগামীর বাংলাদেশের কান্ডারী তাঁরাই। এবং  প্রধানমন্ত্রী যে সমৃদ্ধ এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশের রুপকল্প চেয়েছেন সেটি তাদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে ।

মাহদী আমিন বলেন, আজ এখানে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রান্তিক পর্যায় থেকে চলে এসেছে। এখানে যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান , যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ দেখলাম সেগুলোতে কিন্তু আমাদের সেই শিক্ষার্থীরাই অংশগ্রহণ করেছে, যারা সারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উঠে এসেছে। আজ দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে বন্যাকবলিত ৭টি জেলার শিক্ষার্থীরাও প্রবল বন্যা ও নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছোট্ট ছোট্ট শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জেলার স্বাতন্ত্র্য, সাফল্য ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে উপস্থিত হয়েছে। তাদের এই উপস্থিতি শুধু তাদের ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতির পাশাপাশি প্রতিকূলতাকে জয় করে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য মানসিকতারও এক অনন্য প্রতিফলন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন, সুনির্দিষ্ট এবং সুবিস্তীর্ণ লক্ষ্য দেখিয়েছেন, যেটি আমরা নির্বাচনী পথযাত্রায় দেখেছি, যেটা দেখেছি নির্বাচনী ইশতেহারে। এবং তার একটি প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আজকে প্রায় ৬৫,০০০ স্কুলে একসাথে আমরা বৃক্ষরোপণ করেছি, প্রায় ২ লক্ষ বৃক্ষ। এই বৃক্ষ রোপণই সমাপ্ত হবে না। আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুলে এই বৃক্ষগুলোকে পরিচর্চা করবে। আমরা চাই এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা যেখানে মানবিক মূল্যবোধ থাকবে। যেখানে তাঁরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং যেখানে তাদের ভ্যালু এবং প্রিন্সিপালস তৈরি হবে যার কারণেই কিন্তু তাঁরা বাংলাদেশের যে পতাকা সেটি আমাদের বাংলাদেশের ভূখণ্ড ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে প্রসারিত করবে, আরো উঁচুতে নিয়ে যাবে, ইনশা আল্লাহ।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, আমরা চাই এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা, বিরুপ প্রকৃতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে আমাদের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করবে আগামীর বাংলাদেশের কান্ডারী তাঁরাই। এবং  প্রধানমন্ত্রী যে সমৃদ্ধ এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশের রুপকল্প চেয়েছেন সেটি তাদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে ।

মাহদী আমিন বলেন, আজ এখানে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রান্তিক পর্যায় থেকে চলে এসেছে। এখানে যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান , যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ দেখলাম সেগুলোতে কিন্তু আমাদের সেই শিক্ষার্থীরাই অংশগ্রহণ করেছে, যারা সারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উঠে এসেছে। আজ দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে বন্যাকবলিত ৭টি জেলার শিক্ষার্থীরাও প্রবল বন্যা ও নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছোট্ট ছোট্ট শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জেলার স্বাতন্ত্র্য, সাফল্য ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে উপস্থিত হয়েছে। তাদের এই উপস্থিতি শুধু তাদের ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতির পাশাপাশি প্রতিকূলতাকে জয় করে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য মানসিকতারও এক অনন্য প্রতিফলন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন, সুনির্দিষ্ট এবং সুবিস্তীর্ণ লক্ষ্য দেখিয়েছেন, যেটি আমরা নির্বাচনী পথযাত্রায় দেখেছি, যেটা দেখেছি নির্বাচনী ইশতেহারে। এবং তার একটি প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আজকে প্রায় ৬৫,০০০ স্কুলে একসাথে আমরা বৃক্ষরোপণ করেছি, প্রায় ২ লক্ষ বৃক্ষ। এই বৃক্ষ রোপণই সমাপ্ত হবে না। আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুলে এই বৃক্ষগুলোকে পরিচর্চা করবে। আমরা চাই এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা যেখানে মানবিক মূল্যবোধ থাকবে। যেখানে তাঁরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং যেখানে তাদের ভ্যালু এবং প্রিন্সিপালস তৈরি হবে যার কারণেই কিন্তু তাঁরা বাংলাদেশের যে পতাকা সেটি আমাদের বাংলাদেশের ভূখণ্ড ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে প্রসারিত করবে, আরো উঁচুতে নিয়ে যাবে, ইনশা আল্লাহ।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর