অন্য একটি টার্মিনালও দুর্ঘটনার কারণে পুরোপুরি চালু না হওয়ায় দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়ে লোডশেডিং বেড়েছে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকার কারণে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর কারো নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে বিকল্প উপায়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আজ সন্ধ্যা নাগাদ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে। লোডশেডিংও কমে আসবে।
এ সময় মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংকট মোকাবেলায় বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের পরামর্শ নিচ্ছে সরকার। দেশীয় উৎপাদন রাতারাতি বাড়ানো অসম্ভব, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথে হাঁটছে মন্ত্রণালয়।
তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ভুল নীতির কারণেই বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে।
যেকোনো সময় এ ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে হতো দেশকে। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘সংকটটি গ্রীষ্ম মৌসুমে শুরু হওয়ায় মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। এ জন্য আমরা দুঃখিত এবং মানুষের কাছে পুনরায় ক্ষমা চাচ্ছি।’