বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডায়বেটিস,হৃদরোগসহ যেসব রোগে বাতিল হতে পারে মার্কিন ইমিগ্রেশন ভিসা আবেদন

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৩৩ অপরাহ্ন

ডায়বেটিসসহ বেশকিছু রোগের বিষয়ে নির্দেশনা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব রোগের কারণে মার্কিন ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য ভিসা প্রার্থীদের মধ্যে যদি ডায়াবেটিস, স্থূলতা, হৃদরোগসহ কিছু নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে, তাহলে তাদের ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে।

কেইএফএফ হেলথ নিউজ পর্যালোচনা করা এক সরকারি বার্তায় দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বিদেশি দূতাবাস ও কনস্যুলার কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর বয়স ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তাদের ভিসা অযোগ্য ঘোষণা করা যেতে পারে যদি তারা ‘পাবলিক চার্জ’ বা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়ানোর ঝুঁকিতে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রে এতদিন ভিসা প্রক্রিয়ায় সংক্রামক রোগ যেমন টিবি বা টিকাদানের ইতিহাস যাচাই করা হতো। এবার নির্দেশনায় দীর্ঘমেয়াদি বা ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে এমন রোগগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কর্মকর্তারা এখন থেকে আবেদনকারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি ও চিকিৎসা ব্যয় অনুমান করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হৃদরোগ, শ্বাসযন্ত্রের রোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, বিপাকজনিত রোগ, স্নায়বিক রোগ ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা — এসব অবস্থার চিকিৎসা ব্যয় শত শত হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এ ছাড়া স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনকেও বিবেচনায় আনার কথা বলা হয়েছে। কারণ এটি অ্যাজমা, স্লিপ অ্যাপনিয়া ও উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

ভিসা কর্মকর্তাদের আরও বলা হয়েছে, আবেদনকারীর আর্থিক সামর্থ্য আছে কি না তা যাচাই করতে হবে— অর্থাৎ তারা সরকারি সহায়তা ছাড়াই চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে পারবেন কি না।

অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ চার্লস হুইলার বলেন, এই নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান ফরেন অ্যাফেয়ার্স ম্যানুয়ালের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ সেখানে কর্মকর্তাদের ‘কাল্পনিক পরিস্থিতি’র ভিত্তিতে আবেদন প্রত্যাখ্যান না করার নির্দেশনা দেওয়া আছে।

জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিবাসন আইনজীবী সোফিয়া জেনোভিস বলেন, এই নতুন নির্দেশনা কর্মকর্তাদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করছে যা তাদের চিকিৎসাগত প্রশিক্ষণ ছাড়াই করা হচ্ছে। এটি অনেক আবেদনকারীর জন্য অন্যায় হতে পারে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর