কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ঢাকায় বাংলাদেশের নেতৃত্বের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর ভারতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দীনেশ ত্রিবেদী।
রোববার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। পরদিন সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। এরপরই নয়াদিল্লি ফেরেন দীনেশ ত্রিবেদী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী’ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ভারতের আগ্রহের কথা জানান।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। জনগণকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা করেন তারা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠকেও দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ, সুবিধা ও সংবেদনশীলতার বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সব ক্ষেত্রে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে ভারত আগ্রহী।
ঢাকায় বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোর বার্তা ও আলোচনার বিষয়গুলো নয়াদিল্লির নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এ বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।