শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা নিষ্ঠুরতা, এটি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন : ড. ইউনূস

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ২:৩২ অপরাহ্ন

সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার ঘটনাকে ‘নিষ্ঠুরতা’ বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূস।

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে (পিটিআই) সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাক্ষাৎকারে এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে মুহম্মদ ইউনূস বলেন, “সীমান্তে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সেটির সমাধানের জন্য আইনগত পথ-পদ্ধতি রয়েছে। কাউকে হত্যা করা কখনও কোনো সমাধান নয়।”

“সীমান্তে হত্যার যে ব্যাপারটি নিয়ে গত বেশ কয়েক বছর ধরে আলোচনা চলছে…এসব হত্যাকাণ্ড কিন্তু একতরফা। যারা সীমান্ত অতিক্রম করে, তারা নিতান্তই সাধারণ লোকজন। আপনাদের রাষ্ট্র দখল করার কোনো ইচ্ছে, পরিকল্পনা বা ক্ষমতা তাদের নেই। তাই তাদেরকে হত্যা করা আসলে একপ্রকার নিষ্ঠুরতা এবং এই নিষ্ঠুরতা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।”

সাক্ষাৎকারে দুই দেশের পানিবণ্টন সমস্যা, বিশেষ করে তিস্তা চুক্তি নিয়ে মতপার্থক্য নিয়েও কথা বলেছেন ড. মুহম্মদ ইউনূস। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “এটি নতুন কোনো ইস্যু নয়, বরং অনেক পুরোনো। অতীতে অনেক বার অনেক উপলক্ষে আমরা এ ইস্যুতে কথা বলেছি। আমরা চুক্তি চুড়ান্ত করতে চাই, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারও চায়, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সরকার চায় না। এই ইস্যুটি আমাদের সমাধান করতে হবে।”

শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশ ত্যাগ করতে ভারতে আশ্রয় নেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি দেশ ত্যাগ করার তিন দিন পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হন ইউনূস।

বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার পর গত ১৩ আগস্ট ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি বলেছিলেন, আন্দোলনের নামে যারা ‘সন্ত্রাসী’ কার্যক্রম পরিচালিত করেছে, তাদেরকে অবশ্যই তদন্ত ও বিচারের মুখোমুখী করতে হবে।

পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান বলেন, “শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করায় কেউই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। কারণ বিচার করার জন্য আমরা তাকে ফেরত আনতে চাই। তিনি ভারতে রয়েছেন এবং সেখান থেকেই মাঝে মাঝে কথা বলছেন। এটা সমস্যা তৈরি করছে। যদি তিনি চুপ থাকতেন, তাহলে আমরা ভুলে যেতাম। মানুষও এটা ভুলে যেত, যদি তিনি নিজের জগতেই থাকতেন। কিন্তু তিনি ভারতে বসে কথা বলছেন এবং দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন, কেউই এটা পছন্দ করছে না।’


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর