শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ‘রাজসাক্ষী’ উপদেষ্টা রিজওয়ানা: জামায়াতের নায়েবে আমির

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ন

 অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক দুই উপদেষ্টাকে ‘মীরজাফর’ আখ্যা দিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং বা কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের দাবি করেছেন, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সাম্প্রতিক এক বক্তব্যেই এই কারচুপির প্রমাণ মিলেছে। এই অভিযোগে রিজওয়ানা হাসান ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছে দলটি। 

আজ বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরে আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একজন রাজসাক্ষী আমরা পেয়েছি, যাঁর নাম সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, একটি বিশেষ পক্ষকে মূল ধারায় আসতে না দেওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে কাজ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি নিজেই কারচুপির বিষয়টি স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে পুরো অন্তর্বর্তী সরকার জড়িত ছিল নাকি বিশেষ কোনো প্রভাবশালী অংশ পর্দার আড়ালে কাজ করেছে, তা জাতির সামনে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, খলিলুর রহমান ছিলেন ‘লন্ডন ষড়যন্ত্রের’ অন্যতম প্রধান হোতা। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে প্রভাবিত করে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের সুবিধা পাইয়ে দিতে নেপথ্যে কাজ করেছেন। সেই কাজের পুরস্কার হিসেবেই তিনি আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের আরও উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা পরবর্তী কোনো দলীয় সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেবেন না-এমন নীতিগত অবস্থান থাকা সত্ত্বেও খলিলুর রহমান শপথ নিয়ে নৈতিকতা ভঙ্গ করেছেন।

সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ৫৩টি আসনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করার কথা জানিয়ে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছি। সংগৃহীত প্রমাণের ভিত্তিতে আগামীতে আমাদের আইনি লড়াই অব্যাহত থাকবে।

নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং ভোটাধিকার হরণের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের মুখোশ উন্মোচনে রিজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের জোর দাবি জানায় জামায়াতে ইসলামী।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর