শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

নিজের সুবিধার জন্য বিদায় বেলাতেও আইন পাল্টান ড. ইউনূস

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ন

দীর্ঘ ১৮ মাস ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় শুধু নিজের জন্য সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন। নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে। সুদ মওকুফ করেছেন নিজের সব প্রতিষ্ঠানের। ক্ষমতায় বসে নিজের নামে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়, রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স। 

বিদায়ের আগেও নিজের জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিতে ভোলেননি ড. ইউনূস। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নিজেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করেছেন। এর ফলে পরবর্তী এক বছর তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নিরাপত্তা-সুবিধা পাবেন। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব (বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত) মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তাঁর দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এটা করতে গিয়েও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অসততার আশ্রয় নিয়েছেন। ড. ইউনূস যে অধ‍্যাদেশটি অতি গোপনীয়তার সাথে করেছেন, তা ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর এস. আরও নং ২৮৫ সংশোধন করে করা। ওই আদেশে বলা হয়েছিল, “রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে স্ব স্ব পদে কর্মবসানের তারিখ হইতে এবং জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতাকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ তিন মাস অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করিল।”

ইউনূস এই আদেশের আলোকে শুধু তার নিজের জন্য নিজেকে এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বাকিদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করেননি। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির জন্য আইন পরিবর্তন বা প্রণয়ন করা যায় না। কাজেই ১০ ফেব্রুয়ারি অতি গোপনীয়ভাবে জারি করা অধ্যাদেশটি একদিকে যেমন সংবিধানের মৌলিক নীতির লঙ্ঘন এবং অসাংবিধানিক, ঠিক তেমনই এটি ড. ইউনূসের স্বার্থপরতার একটি উদাহরণ। কারণ তিনি যদি বিদায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আগের আইনে বর্নিত সকলের জন্য সময় বাড়াতেন, তাহলেও এর যৌক্তিকতা কিছুটা হলেও বোঝা যেত। কিন্তু শুধু নিজেকে আগামী এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা, কেবল অনৈতিক নয়, সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর