শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

ইসিকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ছাত্রদের যুক্ত না করার আহ্বান বিএনপির

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ছাত্রদের যুক্ত না করার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচনের মতো একটা জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ছাত্রদের সম্পৃক্ত করা ঠিক হবে না। এ কাজে যুক্ত হলে তারা এবং তার প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত হতে পারে। সেজন্য তাদেরকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত না করা বেটার হবে।

আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিককের এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি যে, অল্প বয়সী ছাত্রদের সংসদ নির্বাচনের মতো একটি জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা ঠিক হবে না। এ কাজে যুক্ত হলে তারা এবং তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত হতে পারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আইনে যাদের কথা উল্লেখ আছে, তাদেরকেই নির্বাচনের কাজে রাখা উচিত। আমরা জানতে পেরেছি যে, ছাত্রদের পর হয়তো স্কাউটদেরও যুক্ত করার কথা বলা হতে পারে। কমিশন আমাদের কথার যৌক্তিকতা স্বীকার করেছেন এবং এ ব্যাপারে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি এলাকায় শান্তি কমিটি গঠনের একটি গুঞ্জন আমরা শুনেছি। শান্তি কমিটি শব্দটা আমাদের কাছে অত্যন্ত অপ্রিয়। যদিও নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো কমিটি করার সিদ্ধান্ত তারা নেয়নি। এছাড়া আমরা লক্ষ্য করেছি, নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা নিজেদের এলাকার বাইরে অন্য নির্বাচনী এলাকায় কাজ করছেন। আইনে বাধা না থাকলেও, বিশৃঙ্খলা এড়াতে ভোটের অন্তত দুই দিন আগে বহিরাগতদের এলাকা ত্যাগ করা উচিত। কমিশন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা দেখেছি প্রায় ৫৫ হাজারেরও বেশি স্থানীয় পর্যবেক্ষককে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অনেক অপরিচিত প্রতিষ্ঠানও আছে। আমরা কমিশনকে বলেছি তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছেন কি না। আমাদের মতে, যাদের সক্ষমতা আছে তাদেরই পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। তবে ভোটকেন্দ্রে অতিরিক্ত পর্যবেক্ষক যেন নির্বাচনি কাজে বিঘ্ন না ঘটায়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

তিনি বলেন, গত দেড় বছরে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিক ভোটার মাইগ্রেশন হয়েছে বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে। যদিও কমিশন বলছে এই সংখ্যা মাত্র ২-৩ হাজার, কিন্তু আমরা এ তথ্যে সন্তুষ্ট হতে পারিনি। আমাদের ধারণা, তাদের ভুল তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। এমনকি অনেক হোল্ডিং নম্বরে যেখানে ৪-৫ জন থাকার কথা, সেখানে ২০-৩০ জন ভোটার হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আমরা আসনভিত্তিক সঠিক তথ্য জানতে চেয়েছি এবং কমিশন তদন্ত করার কথা বলেছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কমিশনকে সাংবিধানিক ভূমিকা পালন করতে হবে।

এর আগে দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর