বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৮ডিগ্রি সেলসিয়াস

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:২৭ অপরাহ্ন

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে।

আজ শনিবার ( ২৭ ডিসেম্বর) আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, যশোরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গতকাল শুক্রবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মৌসুমের প্রথম এই মৃদু শৈতপ্রবাহে যশোর অঞ্চলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় ঘরের বাইরে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

তবে সকাল ৯টার দিকে সূর্যের আলো ওঠার পর থেকেই তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। তখন পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় হয়ে আসে।

শৈতপ্রবাহের কারণে শহরাঞ্চলে সন্ধ্যার পরপরই বেশিরভাগ মানুষ বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করছে। শ্রমজীবী মানুষ ভোরে কাজে বের হতে না পারলেও কুয়াশা কমে গেলে সূর্যের আলো দৃশ্যমান হওয়ার পর তারা শহরে বের হচ্ছেন।

জেলা শহরের লালদীঘী পাড়ে প্রতিদিন ভোরে তিন থেকে চারশ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। কিন্তু প্রচণ্ড শীতের কারণে সেই সংখ্যা এখন অর্ধেকে নেমে এসছে।

সদর উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার সুজন মিয়া বলেন, ‘শীতকালে এমনিতে কাজ কম থাকে। একদিন কাজ পাইতো তিনদিন পাই না। তারপরও এই শীতের মধ্যে প্রতিদিন ভোরবেলায় এসে বসে থাকি, কেউ যদি কাজে নেয় সেই আশায়’।

শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার নির্মাণ শ্রমিক মিনহাজ বলেন, ‘শীতে বাইরে বেরোতেই কষ্ট হচ্ছে। তারপরও কাজের সন্ধানে বের হয়েছি, কিন্তু কাজ পাচ্ছি না’।

শংকরপুর এলাকার নজরুল ইসলাম বিল্ডিংয়ে রংয়ের কাজ করেন। বললেন, ‘পেটের দায়ে কাজের সন্ধানে এই শীতের মধ্যেও বের হয়েছি, কাজ পাব কিনা জানি না’।

রায়পাড়া এলাকার রিকশাচালক হানেফ আলী বলেন, ‘শীত-কুয়াশার মধ্যে ভোর বেলায় রিক্সা নিয়ে বের হয়েছি, কিন্তু রাস্তাঘাট ফাঁকা, লোকজন নেই, যাত্রী পাচ্ছি না’।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর