বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মুছে ফেলা হলো শেখ পরিবারের সদস্যদের নাম

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১২:০২ অপরাহ্ন

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ির মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসেও হয়েছে ভাঙচুর। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থাপনা থেকে শেখ পরিবারের সদস্যদের নাম মুছে ফেলছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বরে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকেন। এরপর ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ হলের নাম মুছে ফেলে নামফলকে ‘বিজয়-২৪’  লিখে দেন তারা।
এরপর একে একে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, নির্মাধীন শেখ হাসিনা হল, কামারুজ্জামান হল, শেখ রাসেল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে থাকা নামফলক ভেঙে ফেলেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও রাবি ক্যাম্পাসজুড়ে শেখ পরিবারের নামে থাকা নানান ধরনের গ্রাফিতি ও দেয়াল লিখন মুছে ফেলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তন করে ‘ফাতিমা আল ফাহরিয়া’, কামরুজ্জামান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ আলি রায়হান’ এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে ‘নবাব ফয়জুন নেসা চৌধুরানী’ হল, শেখ রাসেল মডেল স্কুলের নাম পরিবর্তন করে কোটা সংস্কার আন্দোলনের কনিষ্ঠ ‘শহীদ রিয়া গোপ’ নামকরণ করা হয়।
শেখ পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিভিন্ন স্থাপনার নামফলক ভাঙার সময় শিক্ষার্থীরা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে?’, ‘ছাত্রলীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘আওয়ামী লীগের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগান দেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন বলেন, খুনি হাসিনা মনে করেছে, আমরা সব ভুলে গেছি। খুনি হাসিনার হাতে হাজারো ছাত্রের রক্তের দাগ লেগে আছে। খুনি হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অস্তিত্ব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আর থাকবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক ফাহিম রেজা বলেন, গতকাল শেখ হাসিনা লাইভে এসে ভাষণ দেওয়ার প্রতিবাদে আমাদের এই কর্মসূচি। আমার ভাইদের রক্তের দাগ না শুকাতেই খুনি হাসিনা প্রকাশ্যে আসার সাহস দেখায় কেমনে? আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া পদচিহ্ন মুছে দেব। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাদের শেকড় মুছে দিতেই আমাদের আজকের এই কর্মসূচি।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা দেশের বাইরে বসে দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে দেশে এনে ফাঁসি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর