শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

ইরান যুদ্ধে আমরা কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারব না: মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ন

মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একটি গোপন ব্রিফিংয়ের পর বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমরা ঘোষিত কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারব না।ইরনা’র বরাতে পার্সটুডে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার একাদশ দিনে বলেন, আমি যুদ্ধ সম্পর্কিত দু’ঘণ্টার একটি গোপন ও রুদ্ধদ্বার বৈঠক থেকে বের হয়ে এসেছি। এই বৈঠক শুধু এটিই নিশ্চিত করেছে যে, এই যুদ্ধ সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল এবং এতে কোনো সমন্বয় নেই। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা এতটাই অসংগঠিত ছিল যে, স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের ঘোষিত কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারবে না।

মারফি আরও বলেন, আমরা আগেই জানতাম যে মার্কিন বিমান হামলা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করতে পারবে না। বাস্তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করার কোনো উপায় নেই, কারণ এর বেশিরভাগই ভূগর্ভে অবস্থিত- যদি না স্থল আক্রমণ চালানো হয়; আর সেটি হলে তা আমাদের জন্য আরও ভয়াবহ হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের এই সিনেটর আরো বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে ‘শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন’ তাদের পরিকল্পনার মধ্যে নেই। করদাতাদের শত শত বিলিয়ন ডলার অর্থ ব্যয় হচ্ছে এবং অনেক আমেরিকান নিহত হচ্ছে। মারফি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে প্রকৃত লক্ষ্য কী? মনে হচ্ছে মূলত অনেক ক্ষেপণাস্ত্র, নৌযান এবং ড্রোন কারখানা ধ্বংস করা। কিন্তু বড় প্রশ্ন হলো- যখন বোমাবর্ষণ বন্ধ হবে এবং তারা আবার উৎপাদন শুরু করবে, তখন কী হবে? তারা আবারও আরও বোমাবর্ষণের কথা বলেছে- যা মূলত একটি অন্তহীন যুদ্ধের ইঙ্গিত।

ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সম্ভাবনা সম্পর্কে ডেমোক্র্যাট এই সিনেটর বলেন, এ বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বর্তমানে মার্কিন সরকার জানে না কীভাবে এটিকে নিরাপদভাবে আবার খুলবে। এটি অমার্জনীয়, কারণ সংকটের এই অংশটি শতভাগ পূর্বানুমেয় ছিল।উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কর আগ্রাসন শুরু করে আমেরিকা ও দখলদার ইসরায়েল। এই হামলার ফলে ইসলামী বিপ্লবের নেতা ইমাম খামেনেয়ী শহীদ হন। এমন সময়ে এই হামলা চালানো হয় যখন আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল।-সূত্র: এনপিআর


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর