আজ রোববার (৮ মার্চ) তিনি এ মামলা দায়ের করেন।
আমিনুল হকের ইলেকশন পিটিশন গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ। বিজয়ী জামায়াতের প্রার্থীসহ অন্যান্য বিবাদীদের প্রতি সমন ইস্যু করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনকে ওই আসনের ব্যালটপেপারসহ সকল নির্বাচনী সরঞ্জামাদি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এর আগে আমিনুল হক দাবি করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটের আগের রাতে অর্থ বিতরণের ভিডিও প্রমাণ রয়েছে। এছাড়া পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
আবেদনপত্রে আমিনুল হক অভিযোগ করেছিলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ এবং নির্বাচনি আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটের আগের রাতে অর্থ বিতরণের ভিডিও প্রমাণ রয়েছে। এছাড়া পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।
আমিনুল হকের দাবি, ৪০টিরও বেশি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর ছাড়াই ফলাফল শিট প্রস্তুত করা হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভোট গণনার আগেই ফলাফল শিটে আগাম স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা প্রদান এবং নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগেই সীল মারা ব্যালট বই পাওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও তার আবেদনে উঠে এসেছে।
আবেদনকারী আরও জানান, ১ থেকে ২৯ নম্বর কেন্দ্র পর্যন্ত ঘোষিত মোট ভোটের সাথে প্রিজাইডিং অফিসারদের সরবরাহকৃত ফলাফলে এবং পোস্টাল ভোটের পরিসংখ্যানে ব্যাপক গড়মিল পরিলক্ষিত হয়েছে। সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব হলেও এক্ষেত্রে তার চরম ব্যত্যয় ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।