বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন নজির স্থাপন করলো যুক্তরাজ্য

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর নতুন নজির স্থাপন করল যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বৃহস্পতিবার ঘোষণা দিয়েছেন, শিগগিরই ব্রিটিশ নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই চীন সফরের সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকা চীনে দেড় হাজার কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।  

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পথে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের কাতারে শামিল হলো যুক্তরাজ্য।

সিএনএন জানায়, প্রায় আট বছর পর কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে গেলেন। চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে স্টারমার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে স্টারমার বলেন, বৈশ্বিক অঙ্গনে চীন একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি এবং ব্রিটিশ জনগণের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব অত্যন্ত জরুরি। সে জন্য যুক্তরাজ্য ও চীনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারত্ব প্রয়োজন।

স্টারমারের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বলেন, স্থিতিশীল ও বৃহৎ পরিসরের কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে বেইজিং আগ্রহী। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন গতি আনার কথাও জানান তিনি।

বৈঠক শেষে স্টারমার সাংবাদিকদের জানান, ব্রিটিশ হুইস্কির ওপর চীনের শুল্ক কমানো এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ দিন ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে, যদিও বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যে ‘অনিয়মিত অভিবাসন’ সংক্রান্ত নিরাপত্তা সহযোগিতাও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

বৈঠকের পর চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে একতরফাবাদ, সুরক্ষাবাদ ও ক্ষমতার রাজনীতির উত্থানের প্রেক্ষাপটে চীন ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে বহুপক্ষীয়তা ও মুক্ত বাণিজ্য রক্ষায় কাজ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির ফলে একের পর এক মার্কিন মিত্র দেশের চীন সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। চলতি মাসে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং গত মাসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ চীন সফর করেন। বিশ্লেষকদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের মধ্যে দূরত্ব তৈরির পাশাপাশি নিজেকে মুক্ত বাণিজ্য ও বিশ্বায়নের রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করতে চায় বেইজিং। সে কারণেই এসব সফরকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছে চীন।

এদিকে স্টারমারের চীন সফর ঘিরে হোয়াইট হাউসের কড়া নজর রয়েছে। এর আগে কানাডা চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিলে কানাডার পণ্যে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর