শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

নারী সংস্কার কমিশনের ‘বিতর্কিত’ সুপারিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫, ১:২৩ অপরাহ্ন

নারী সংস্কার কমিশনের কয়েকটি সুপারিশকে বিতর্কিত ও সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে তা পর্যালোচনার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে নারী সংস্কার কমিশনের বিতর্কিত ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

রোববার (৪ মে) সু্প্রিম কোর্টের আইনজীবী রওশন আলী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন। চলতি সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজিব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটির ওপর শুনানি হতে পারে।

রিটে নারী পুরুষের সমান উত্তরাধিকার, বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব, যৌন পেশাকে বৈধতা দেয়ার প্রস্তাবসহ কমিশনের বেশ কয়েকটি সুপারিশকে ইসলামী শরীয়তের বিধানসমূহের পরিপন্থি, জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির পরিপন্থি এবং সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করা হয়। রিটে তিনটি মন্ত্রণালয় এবং চেয়ারম্যান বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে যা আছে-

প্রথমত, প্রতিবেদনের অধ্যায় ১১-তে পুরুষ

ও নারীর জন্য সমান উত্তরাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সরাসরি কোরআনের সুরা নিসা (৪:১১)-এর পরিপন্থী।

দ্বিতীয়ত, প্রতিবেদনে বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব এসেছে, যা ইসলামি শরিয়তে অনুমোদিত একটি বিধান এবং সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ধর্মচর্চার অধিকার ক্ষুন্ন করে।

তৃতীয়ত, আমার শরীর, আমার পছন্দ (My Body, My Choice) স্লোগানকে অন্ধভাবে সমর্থন দিয়ে শরিয়তের ওপর ভিত্তি না রেখে ‘নৈতিকতার সীমা’ অতিক্রম করার চেষ্টা করা হয়েছে।

চতুর্থত, যৌনকর্মকে বৈধ পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা ইসলামি মূল্যবোধ এবং সংবিধানের ২(ক) ও ২৬ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।

পঞ্চমত, প্রতিবেদনে লিঙ্গ পরিচয় এবং ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা শরিয়তবিরোধী এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর