বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ন

আজ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল ও অনন্য দিন ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) শেখ মুজিবুর রহমান এক বিশাল জনসমুদ্রে তার ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। সেই ভাষণে বাঙালি জাতি খুঁজে পেয়েছিল স্বাধীনতা-সংগ্রামের এক দিকনির্দেশনা।

পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক এ ভাষণই হয়ে ওঠে স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজমন্ত্র। মূলত শেখ মুজিবুরের এ ভাষণের আহ্বানেই মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে বাঙালি। তাই এ জাতির স্বাধীনতা-মুক্তি ও জাতীয়তাবোধ জাগরণের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয় ভাষণটি।

২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাত্র ১৮ মিনিটের ভাষণে সেদিন শেখ মুজিবুর যেমন বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেছেন, তেমনি দেশবাসীর করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এক কথায় বলা যায়, এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল।

একাত্তরের এই দিনের পড়ন্ত বিকেলে শেখ মুজিবুর সমবেত লাখো মানুষকে সামনে রেখে বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ তিনি দেশের মানুষকে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করার এবং ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তার এই উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। তার এই বজ্রনিনাদে আসন্ন মহামুক্তির আনন্দে বাঙালি জাতি উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। যুগ যুগ ধরে শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত মুক্তির লক্ষ্যে।

আগে প্রতি বছর দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলেও ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঐতিহাসিক ৭ মার্চসহ আটটি জাতীয় দিবস পালন না করার সিদ্ধান্ত নেয় বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর