ইরানের প্রেসিডেন্সি থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান বলেন, “বাস্তবতা হলো, আজ ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান একটি পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে জড়িত। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং এই প্রতিরোধের স্বাভাবিক পরিণতি মেনে নিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “যদি অর্থনৈতিক চাপের কারণে সামাজিক অসন্তোষ সৃষ্টি হয় এবং তা ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের সমর্থনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা বিশাল সামাজিক পুঁজি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”
গত জুন মাসে যুদ্ধের প্রভাবে ইরানে মূল্যস্ফীতি তীব্রভাবে বেড়ে যায় এবং বছরওয়ারি হিসাবে তা প্রায় ৯০ শতাংশে পৌঁছায়।
জুলাই মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ের প্রতিবাদে শুরু হওয়া একটি আন্দোলন দ্রুত সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। আন্দোলনটি জানুয়ারির ৮ ও ৯ তারিখে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
ইরানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব ঘটনায় ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তাদের দাবি, এই সহিংসতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ফল।
তবে বিদেশভিত্তিক বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি বলে দাবি করেছে।
সূত্র: আরব নিউজ