বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন সাইফুর রহমান শুধু বিএনপির গৌরব নন, তিনি জাতির সম্পদ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সাড়ে ১১ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত

যুদ্ধ থামাতে বৈশ্বিক কূটনৈতিক জোর, শিশু সুরক্ষায় জোরালো উদ্যোগের দাবি ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ন

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান সংঘাত বন্ধ এবং শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। সম্প্রতি জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক উচ্চপর্যায়ের সংলাপে অংশ নিয়ে এ উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়া।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্কের সঙ্গে বৈঠকের পর সোমবার আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল ভেনেসা ফ্রেজিয়ারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শিশুদের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন বাস্তবায়ন এবং মানবিক সংকট নিরসনে সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ক্যাপ্টেন কিবরিয়া বলেন, বিশ্ব এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে নীরব থাকার কোনো সুযোগ নেই। শিশু হত্যা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ওপর হামলার মতো ঘটনাগুলোকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন। এসব ঘটনা অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানান তিনি।

জাতিসংঘ ও অংশীদারদের সমন্বয়ে চলমান বৈশ্বিক অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো-শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সুরক্ষিত রাখা এবং দ্রুত যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, কার্যকর কূটনীতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্রিয় করা, শক্তিশালী জোট গঠন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে তারা শান্তির পথ বেছে নেয় এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।

সাম্প্রতিক আলোচনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে জানান তিনি। সংঘাতের সময় সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়ীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতসহ প্রযোজ্য আইনি ব্যবস্থার আওতায় আনার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

ক্যাপ্টেন কিবরিয়া সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের নৃশংসতার মুখে নীরব থাকা নিরপেক্ষতা নয়; বরং তা অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল।

তিনি জানান, এটি কোনো প্রতীকী উদ্যোগ নয়। কূটনীতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ, নিরীহ মানুষের জীবন রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত বৈশ্বিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংকটের অবসান সম্ভব এবং বিশ্ব শিগগিরই শান্তির পথে এগিয়ে যাবে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর