বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র: বাহাত্তরের সংবিধান বাতিলের বিপক্ষে রাজনৈতিক দলগুলো

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৫, ৬:০৯ অপরাহ্ন

জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। শুরুতে আন্দোলন কোটা সংস্কারের দাবিতে সীমাবন্ধ থাকলেও পরে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এতে প্রাণ হারান শত শত ছাত্র, শ্রমিক ও জনতা।

কেউ কেউ এই আন্দোলনকে বিপ্লব হিসেবে আখ্যা দিলেও বিপ্লবী কোনো ঘোষণাপত্র হয়নি। আওয়ামী লীগের পতনের তিনদিন পর অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন হয়। এই সরকারের প্রায় ৬ মাসের মাথায় গণআন্দোলনে নেতৃত্ব নেয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরপর এই ঘোষণাপত্র নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক লুৎফর রহমান বলেন, আমরা চেয়েছিলাম চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সাথে ঘোষণাপত্রের একটি সম্পর্ক থাকুক। এ বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা হয়েছে।

এদিকে রাজনৈতিক দলগুলো বলছে, অভ্যুত্থানের এতদিন পর ঘোষণাপত্রের আবেদন নেই। এক্ষেত্রে প্রোক্লেমেশন নয় যেকোনো নামেই একটি ঘোষণা আসতে পারে। তবে সেই ঘোষণায় জুলাই আন্দোলনের পাশাপাশি বিগত ১৬ বছরের গুম, খুন, নির্যাতনসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসতে হবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক সাইফুল হক বলেন, বিগত ১৫ বছরের লড়াই থেকে জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত সকল অংশীজনদের ভূমিকাকে বিবেচনায় রেখে একটি ঘোষণা আসতেই পারে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, এটিকে বিপ্লব বলা হলেও আক্ষরিক অর্থে তা গণঅভ্যুত্থান ছিল। এরপর এই শাসনতন্ত্রের অধীনেই সরকার গঠিত হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মুজিবুর রহমান বলেন, আন্দোলন যে নামেই হোক না কেন এর একটি ইতিহাস থাকা উচিত। এই ঘোষণাপত্র আগামীতে ইতিহাস হতে পারে।

অপরদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি অনুযায়ী বাহাত্তরের সংবিধান বাতিলের সুযোগ নেই বলেও মনে করেন বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সিপাহী জনতা ও ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের পরেও এই শাসনতন্ত্রের কবর রচনা করা হয়নি।

গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক সাইফুল হক বলেন, অনেকক্ষেত্রে একটি আধা নৈরাজ্যিক অবস্থা চলছে। সংবিধান বাতিলের যে কোনো উদ্যোগ চলমান অস্থিরতাকে আরও বৃদ্ধি করবে।

সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, যেভাবে বাহাত্তরের সংবিধানের কবর রচনার কথা বলা হচ্ছে তা ঐক্য তৈরির ক্ষেত্রে ফাটল ধরাবে। বর্তমানে ঘোষণাপত্রের চেয়ে জনজীবনের সংকট নিরসন এবং নির্বাচনের দিকে মনোযোগ দেয়া জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মুজিবুর রহমান বলেন, বিভিন্ন ধরণের ঘোষণাপত্র দেয়া যেতে পারে। তবে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতিকে পরিচালনা করা এখন সময়ের দাবি।

অন্যদিকে রাজনৈতিক দলসহ সবার ঐক্যমত্যে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র হবে বলে জানায় সরকার।-যমুনা টিভি


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর