অন্তর্বর্তীকালীন বরতিকালিন-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের মাঝে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ৩৬ জেলার আহত ৪ হাজার ৫৫১ জন জুলাই যোদ্ধাকে এ কার্ড দেওয়া হচ্ছে। বাকি জেলার আহতরাও পর্যায়ক্রমে এ কার্ড ..বিস্তারিত
নিয়মিত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নিতেন ইয়াহিয়া আলী। এদিকে আন্দোলন দিনে দিনে তীব্র থেকে তীবর্তর হতে থাকে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আত্মসমর্পণ করে। সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার এনায়েতপুরেও
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে চোখ হারানো ৪ যুবক রাজধানীর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকা অবস্থায় বিষপান করেছেন। রবিবার (২৫ মে) দুপুরে হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে একটি বৈঠক চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। বিষপানকারী
আব্বা আগে কাম থ্যাইক্যা আইসা দুই বোনকে কোলে কইরা দোকানে নিয়া কত কিছু কিনা দিতো। এখন আমার আব্বা নাইকা। মইরা গেছে। সেদিনক্যা বাড়িতে আইসা মারে কইছে, আমার ভালো লাগতেছে না,
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধা মো. হাসানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী। আজ শনিবার(২৪ মে) এক শোক
আমার জামাই ঝালমুড়ি বেচত, আমার ঘরে টাকা-পয়সা কম ছিল ঠিক। কিন্তু সুখের কমতি ছিল না। একটা গুলি আমাগো জীবন তছনছ কইরা দিল। ভালা মানুষ জামাইডা দেশের জন্য আন্দোলনে গিয়া গুলি
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আহত আরও ৭জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২০ মে) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তাদের থাইল্যান্ডে পাঠানো হয়।স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ
হাফেজে কোরআন ও নিবেদিতপ্রাণ মাদ্রাসাছাত্র সিয়ামের ইসলামি শিক্ষার প্রতি ছিল গভীর ও অকৃত্রিম অনুরাগ—এ যেন ছিল তার হৃদয়-মন, চিন্তা-চেতনা ও স্বপ্নের মূলমন্ত্র। কিন্তু নিজ গ্রামে, তার বাড়ির আশেপাশে কোনো মাদ্রাসা
চোখে ছিল একটি মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন—যেখানে থাকবে না ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও নিপীড়ন। স্ত্রী তানজিমা আখতার ও ছয় বছর বয়সী ছেলে আব্দুল্লাহ আল-জাইনকে নিয়ে ছিল ৩৬ বছর বয়সী মুক্তচিন্তার তরুণ ফ্রিল্যান্সার
পরিবারের সবার আশা ছিল শিহাব বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে চাকরি করবে। দেশকে ভালোবাসবে, দেশের জন্য কাজ করবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ হন শিহাব
কিছু নাম সংবাদ শিরোনামে আসে, মানুষের সহমর্মিতা পায়, সমবেদনা পায়। হয়তো ভাগ্য প্রসন্ন হলে সহায়তাও মিলে যায়। কিন্তু কিছু হতভাগ্য আহতের আর্তনাদ সংবাদপত্রেও ঠাঁই পায় না। থেকে যায় আড়ালে, মানুষের
স্বপ্ন ছিল ঘর বাঁধবেন, নিজের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানে নতুন জীবন শুরু করবেন, কিন্তু তার আগেই রক্তাক্ত হলো সেই স্বপ্ন। ৫ আগস্ট ঢাকার রাজপথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার বিজয় মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ
মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ‘সি’ ক্যাটাগরির ১০৩ জন জুলাই যোদ্ধাকে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করেছেন। আজ বুধবার(৭মে) বেলা ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত
সেদিন ছিল ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। বিজয়ের মিছিল এগিয়ে যাচ্ছিল শফিপুর আনসার একাডেমির দিকে। রাজধানীজুড়ে তখন উৎসবমুখর জনতা, সবার চোখে বৈষম্যমুক্তির দুর্নিবার স্বপ্ন আর হৃদয়ে স্বৈরাচার পতনের অনিন্দ্য আনন্দ। এই
‘তোমার সঙ্গে আর দেখা হবে কিনা জানি না। হায়াত-মউত সব আল্লাহর হাতে। আমার মেয়েটিকে দেখে রেখো।’বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিতে বাড়ি বের হওয়ার আগে স্ত্রী মৌসুমীকে এ কথাগুলো বলে গিয়েছিলেন
রংপুরের রাধাকৃষ্ণপুর মৌলভীপাড়ার এক প্রিয় মুখ মো. ছমেছ উদ্দিন। গ্রামের সকলের কাছে পরিচিত ছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল ও নিরহংকার এক সহজ-সরল ভালো মানুষ হিসেবে। কিন্তু ফ্যাসিবাদী শাসনের নির্মমতা, গুম, খুন, দুর্নীতি,
২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের সাহসী যোদ্ধা হৃদয় চন্দ্র তারুয়ার কণ্ঠনালী শুধু ছিন্নভিন্ন করেই ক্ষান্ত হয়নি ঘাতক বুলেট; একই সঙ্গে চুরমার করে দিয়েছে তার দরিদ্র বাবা-মায়ের বহুদিনের
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ১৯ জুলাই শহীদ হন ১৮ বছর বয়সী গাড়ির ওয়ার্কশপকর্মী মেহেদী হাসান। সাহস ও দৃঢ়তার প্রতীক হয়ে ওঠা এই কিশোরের মৃত্যু আন্দোলনে এক বেদনাময়
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধা মো. আলী আজগর সুজন রাজধানীর বংশালে আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হন। উন্নত চিকিৎসার অভাবে এখনও মাথায় বুলেট নিয়ে দিন কাটছে তার। যন্ত্রণার তীব্রতায় রাতে ঘুম হয়
রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে এক নারীর প্রতিটি ভোরই শুরু হয় বুক ফাটা কান্নায়। তাঁর নাম সাফুরা বেগম—শহীদ রাসেলের মা। প্রিয় ছেলেকে হারিয়ে তাঁর কাছে জীবন যেন অর্থহীন এক ভার। দেশে দীর্ঘ
পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের মরহুম আবদুল মন্নান হাওলাদারের পুত্র মো. জাকির হোসেন। তিনি গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানী ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিতসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল
পড়ালেখা করে বড় অফিসার হওয়ার স্বপ্ন ছিল মেধাবী ছাত্র শ্রাবণের। বাড়ির পাশের কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করার পর স্বপ্নপূরণের আশায় উচ্চশিক্ষার জন্য চলে যান রাজধানী ঢাকায়। কিন্তু শেষপর্যন্ত নিজের যাবতীয়
মা-বাবা, পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব, ছাত্র কিংবা তাকে জানতেন এমন সকলের চোখে আবদুল্লাহ আল তাহির (৩২) ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার এক কণ্ঠস্বর। রাজপথে ন্যায়ের পক্ষে লড়াকু সৈনিক। গত বছরের ১৯ জুলাই
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের ঘাতক বুলেটে নিহত মুজাহিদের (১৭) বাবা-মা। অভাব-অনটনের সংসারে এখন দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছে পরিবারটি। শহীদ মুজাহিদের গ্রামের বাড়ি
প্রতিবার নামাজের সময় হলেই নিজের অজান্তেই দরজার পাশে দাঁড়িয়ে পড়েন কুহিনুর বেগম। আজও তার মনে হয়, নামাজ শেষে মসজিদ থেকে ফিরে ছেলেটা দরজায় কড়া নাড়বে। ১৭ বছরের মো. জিহাদ হাসান
বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত সংবাদ সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন। ২০২৫ সালের জন্য এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (১৬
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের পূর্ণ উদ্যেমে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এলডিসি উত্তরণবিষয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চব্বিশের ১৯ জুলাই শুক্রবার বিকেলে মেয়ের জন্য চিপস আনতে গিশে রায়েরবাগের আপন বাজারে পুলিশ গুলিতে শহীদ হন কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের মো. মোবারক হোসেন (৩২)। মোবারকের আড়াই বছর
চব্বিশের স্বৈরাচারবিরোধী ‘জুলাই অভ্যুত্থান’ যখন চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছিল, তখন ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির প্রবল জোয়ারে উদ্বেল হয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আন্দোলনে গিয়ে শহীদ হন মো. সাইদুর
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নানা মত, ধর্ম ও রীতিনীতির মধ্যেও আমরা সবাই এক পরিবারের সদস্য। এদেশের হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন সম্প্রদায় ও জনগোষ্ঠী
বিয়ের প্রায় দুবছর পর বাবা হয়েছিলেন, আর বাবা হওয়ার ২২ দিনের মাথায় ৫ আগস্ট স্বৈরশাসনের পতনের পর বিজয় মিছিলে যোগ দিয়ে শহীদ হন ২৬ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম শান্ত। একটি
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রথম দু’দিন সুস্থভাবে বাড়ি ফিরে এলেও তৃতীয় দিন আর ফেরা হয়নি সাভারের মাদ্রাসা ছাত্র হাসিবুর রহমানের (১৭)। বন্ধুদের সাথে আন্দোলনে যোগ দিয়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ
রাজধানী ঢাকার আদাবর থানার সামনে গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিজয় মিছিলে পুলিশের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন পটুয়াখালীর মো. বাচ্চু (৪৭)। তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের শারিকখালী
ষৈম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন আলী রায়হান (২৮)। আন্দোলনের সহযেদ্ধিাদের তিনি প্রায়ই বলতেন, যদি কেউ শহীদ হন, তবে যেন সেই সৌভাগ্য তার হয়। শেষ পর্যন্ত যেন ঠিক সেই চাওয়া
ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের দিন পুলিশের গুলিতে নিহত চট্টগ্রামের অটোরিকশাচালক শহীদ জামাল উদ্দিনের পরিবার বর্তমানে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে। পরিবারটির উপার্জনক্ষম একমাত্র সদস্যের মৃত্যুতে তাদের জীবনে অনিশ্চয়তা ও অসহায়ত নেমে এসেছে। গত
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে গিয়ে দু’পায়েই গুলি লেগেছিল মো. বেল্লাল ইসলামের (২০)। সেই গুলি বের করা হলেও এখনও হাঁটতে পারেন না তিনি। অভাবের কারণে উন্নত চিকিৎসা করানো দূরে থাক, ওষুধ
পতিত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নির্মম নির্যাতনে ডান চোখ হারিয়ে এবং মাথাও কপালসহ শরীরের অসংখ্য জখমের ক্ষত নিয়ে অসহ্য ব্যথা আর যন্ত্রণা নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলীপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ আল
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব জোরদার করার পাশাপাশি অবৈধ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজপথে নেমেছিল সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। দিনমজুর থেকে ব্যবসায়ী। ছাত্র থেকে চাকরিজীবী বাদ যায়নি কেউই। এরই অংশ হিসেবে গত ৫ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আন্দোলনে যোগ দেন মাছ ব্যবসায়ী
ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গণ-অভ্ত্থুাননে শেখ হাসিনার পতনের পর বিজয় উদযাপনে মেতে উঠেছিল দেশের সর্বস্তরের মানুষ। কিন্তু পুলিশের নির্বিচারে গুলিতে সেই উৎসব রক্তে রঞ্জিত হয়। রাজধানীসহ সারা দেশে প্রাণ হারায়
মা রিনা বেগম চেয়েছিলেন ছেলে বেঁচে থাকুক, আন্দোলনে না যাক। গভীর আবেগ ও ভালোবাসা দিয়ে সেই চেষ্টাই করেছিলেন তিনি। কিন্তু মায়ের সব অনুরোধ-উপরোধ উপেক্ষা করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ১৬ বছরের
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া প্রতিশ্রুতিশীল ফ্রিল্যান্সার সাজিদুর রহমান ওমরের স্মৃতিচিহ্নগুলোই এখন তার পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। ওমরের রেখে যাওয়া কিছু সামগ্রীতে পরিবারের সদস্যরা তার অস্তিত্ব খুঁজে পান। ডেমরার ডগাইর
দিনটি ছিলো ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই। ঠিক বিকেল ৪টা। রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় চলছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার প্রচণ্ড বিক্ষোভ। সেখানে স্বস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন পটুয়াখালীর বাউফলের কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা কাওসার হোসেন। সেদিন মৃত্যু
স্বামী হারা সাহিদা বেগমের বড় ছেলে জামালের কথা ছিল ‘যতো দিন বাঁচবেন মাকে নিয়েই বাঁচবেন’। কিন্তু সেটি আর হয়ে ওঠেনি। গত ১৯ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে মোহাম্মদপুর টাউন হলের সামনে